Main Menu

সুমনকে মাঠ না দেয়ায় মিথ্যাচার

সিদ্ধিরগঞ্জ (১৭’আগষ্ট ১৬ইং রোজ বুধবার) ঃ সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধিন মিজমিজি কান্দাপাড়া আনন্দলোক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজিবুর রহমান হাওলাদার ও ম্যানেজিং কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবদুর রহিম মেম্বারকে হেয় পন্ন করে নির্বাচনী সুবিধা পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে নাসিক ২ নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী সুমন কাজী। গত ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবসে স্কুলের উদ্যোগে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠান বাদ দিয়ে মাদকের ডিলার সুমন কাজীর উদ্যোগে স্কুল মাঠে অনুষ্ঠান করার অনুমতি প্রদান না করায় প্রধান শিক্ষক মজিবুর রহমান ও সভাপতি আবদুর রহিম মেম্বারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা জানায় ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সচেতন এলাকাবাসী।
জানা গেছে, সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ট বাঙ্গালি জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১’তম শাহাদাত বার্ষিকী জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ১৫’আগষ্ট বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আনন্দলোক উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সকাল ৯’টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংঙ্গীত পরিবেশন। পরে বঙ্গবন্ধুর ছবি, শহীদ মিনার, জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও গ্রাম বাংলার চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, বেলা ১১’টায় বঙ্গবন্ধুর জীবনীর উপর আলোচনা। এর পর দেশাত্বক বোদক গান। সর্বশেষ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রহিম মেম্বার, দাতা সদস্য হাজী মোঃ নুরুল আমিন, অভিবাবক সদস্য হাজী মোঃ মনোয়ার উদ্দিন, হাজী মোঃ আনোয়ার হোসেন, আব্দুল মতিন, আলহাজ্ব মোঃ রহমত উল্লাসহ স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। অভিযোগ জানা গেছে, নাসিক ২ নং ওয়ার্ডের সম্ভাভ্য কাউন্সিলর প্রার্থী যুবলীগ নেতা মাদক ব্যাবসায়ী সুমন কাজী ১৫’আগষ্ট শোক দিবসের অনুষ্ঠান করার প্রস্তুতি গ্রহন করে আনন্দলোক উচ্চ বিদত্যালয় মাঠে। স্কুলের নিজস্ব অনুষ্ঠান থাকায় সুমন কাজীকে স্কুল মাঠে অনুষ্ঠান করার অনুমতি দেয়নি প্রধান শিক্ষক মজিবুর রহমান। এমনকি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবদুর রহিম মেম্বারকেও প্রধান শিক্ষক অনুষ্ঠান করতে নিষেধ করেন। অনুমতি না পেয়ে সুমন কাজী আবদুর রহিমের কাছে গেলে তিনিও একই কথা বলেন যে, যেহেতু স্কুলের উদ্যোগে দিনব্যাপী কর্মসূচী পালন করা হচ্ছে, এ অবস্থায় এখানে অনুষ্ঠান করা কিছুতেই সম্ভব না। আমি নিজেও করতে পরিনি। অচথ মাদকের ডিলার সুমন কাজী অভিযোগ তুলে অপপ্রচার চালিয়েছে আনন্দলোক স্কুলের প্রধান শিক্ষক মজিবুর রহমান ও সভাপতি আবদুর রহিম তাকে ১৫’আগষ্ট পালনের অনুষ্ঠান করতে বাঁধা প্রদান করেছে। আনন্দলোক স্কুলের সভাপতি আবদুর রহিম নিজেও ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচন করার ঘোষনা দিয়ে মাঠে নেমেছে। তাই নির্বাচনী সুবিধা পেতে সুমন কাজী তিলকে তাল বানিয়ে অপপ্রচার চালিয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ওই স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকার সচেতন মহল। এমন মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে সম্মানি ব্যক্তির মান হানি করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হওয়ায় সুমন কাজীকে ধিক্কার জানিয়ে তীব্র নিন্দাও জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মজিবুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ১৫’আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে স্কুলে বিভিন্ন কর্মসূচি থাকায় কাউকে মাঠ দেইনি। সুমন কাজীতো দূরের কথা স্কুলের  প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রহিম মেম্বারও মাঠ চেয়েছিল, তাকেও নিষেধ করেছি। এ সময় আনন্দলোক উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য এ কে এম রহমত উল্লাহ বলেন, স্কুলের জন্য জমি , টাকা-পয়সা ও সার্বক্ষনিক শ্রম দিয়ে আলহাজ্ব আব্দুর রহিম মেম্বার স্কুলকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এবং এখনো যথেষ্ট অবদান রেখেছেন। তিনি আরো বলেন, স্কুলের নিজস্ব অনুষ্ঠান থাকায় স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রহিম মেম্বর ও সুমন কাজীকে স্কুল মাঠে অনুষ্ঠান করার অনুমতি দেয়নি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্কুলের তার সুযোগ্য নেতৃত্বের কারণে স্কুল ক্রমাগতভাবে উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। স্কুলের শিক্ষা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং সরকারী নিয়মনীতির আলোকে তাকে সভাপতি করা হয়েছে। এমপিও ভুক্ত প্রতিষ্ঠানে জোর করে সভাপতি হওয়ার কোন সুযোগ নেই। স্কুলের  প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রহিম মেম্বার বলেন, স্কুলকে সকল বিতর্কের উর্ধে রাখার জন্য আমি নিজে যেখানে স্কুল প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠান না করে বাইরে (মার্কেটে) অনুষ্ঠান করেছি, সেখানে সুমন কাজীকে সুযোগ দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। তাছাড়া তিনি তো স্কুল কতৃপক্ষ থেকে লিখিত অনুমতি না নিয়ে, কোন রকম আলাপ আলোচনা ছাড়াই জোর করে তার প্রভাব দেখাতে চেয়েছিলেন। সে জন্য স্কুল কমিটি তাকে সে সুযোগ দেয়নি।






Related News

Comments are Closed