Main Menu

সিদ্ধিরগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী,ছিনতাই কারিদের সরদার আহাদের কান্ড

kalerchitro 19.07সিদ্ধিরগঞ্জের সিআইখোলা এলাকায় যৌন কর্মে রাজি না হওয়ায় নূপুর নামে এক হিজড়াকে মারধর করে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে রক্ষা পেয়েছে নাসিক ১ নং ওয়ার্ড সিআইখোলা বউবাজার এলাকার আহাদ (২৬) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাই কারির সরদার। গতকাল শনিবার বেলা ১২ টায় নুপুরকে মারধর করার খবর পেয়ে থানা এলাকার কমপক্ষে শতাধিক হিজড়া উলঙ্গ হয়ে আহাদের বাড়ী ঘেরাউ করে। মারধরের অভিযোগের ভিত্তিতে বেলা ৩ টায় এসআই ওমর ফারুক সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে হিজড়াদের শান্ত করে। পরে হিজড়া নেতাদের সাথে বৈঠক বসে ছিনতাইকারী আহাদের পরিবার ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ও ক্ষমা চাইলে বিকেল ৪ টায় হিজড়ারা যে যার মত চলে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। গতকয়েক দিয়ে আগে মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাই কারিদের সরদার আহাদ থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়াতে এলাকায় মিষ্টি বিতরন করা হয়।
অভিযোগ জানা গেছে, সিআইখোলা বউবাজার এলাকার ওমর আলী মিস্ত্রির ছেলে আহাদ একই এলাকার রমুর বাড়ীর ভাড়াটিয়া টুম্পা গ্রুপের হিজড়া নূপুরের সাথে যৌন সম্পর্ক করার প্রস্তাব দেয় ( নূপুর দেখতে খুব সুন্দর)। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় আহাদ শনিবার বেলা ১২ টায় ৩ জন সহযোগী নিয়ে হিজরা নূপুুরের বাসায় গিয়ে জোর করে ফুর্তি করার চেষ্টা চালায়। কিছুতেই রাজি করাতে না পেরে হিজড়া নুপুরকে মারধর শুরু করে আহাদ। এসময় নূপুর দৌড়ে ঘর থেকে বের হয়ে বাড়ীর সামনে রাস্তা চলে আসলে আহাদ তার পিছু ধাওয়া করে প্রকাশ্যে লোকজনের সামনে দ্বিতীয় দফা মারধর করে।
এ ঘটনায় হিজড়া নূপুর সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করে। অপর দিকে থানা এলাকার কমপক্ষে শতাধিক হিজড়া বউবাজার এলাকায় ছুটে গিয়ে ওমর আলী মিস্ত্রির বাড়ী ঘেরাই করে। হিজড়ারা পরনের কাপর খোলে উলঙ্গ হয়ে হৈ হুল্লা শুরু করে। হিজড়াদের কান্ড দেখে অত্র এলাকার লোকজন বাড়ীর আশপাশে ভির জমায়। পরে বেলা ৩ টায় এসআই ওমর ফারুক ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে হিজড়াদের শান্ত করে। এসময় আহাদের পরিবার বিষয়টি রফাদফা করার জন্য হিজড়া নেতাদের অনুরোধ জানায়। তখন রফাদফার জন্য ২ ঘন্টা সময় দিয়ে পুলিশ চলে যায়। ২ ঘন্টার মধ্যে মিমাংশা না হলে আহাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে বলে হিজড়াদের আশ্বস্থ করে পুলিশ। পরে হিজড়ানেতাদের সাথে আহাদ পরিবারের বৈঠক বসে বাড়ীর ভিতরে। হিজড়ারা ৫০ হাজার টাকা দাবি করলেও পরে বহু অনয় বিনয় করে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ও ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়ে হিজড়াদের সাথে মিমাংশা করে আহাদের পরিবার। মিমাংসার পর বেলা ৪ টায় হিজড়ারা বাড়ী ত্যাগ করে যে যার মতে চলে যায়।
স্থানীয়রা জানায়,আহাদ এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ও বখাটে হিসেবে পরিচিত। সে ছিনতাইকারীদের সর্দার। তার পিতা ওমর আলী মিস্ত্রির বাড়ীতে অর্ধশতাধিক পরিবার ভাড়া থাকে যাদের মাধ্যে গার্মেন্টসে চাকুরীজীবী বেশী। বাড়ীর একাধিক ভাড়াটিয়া দেহ ব্যবসার সাথে জড়িত। অভিযোগ রয়েছে,আহাদ বাড়ীর ভাড়াটিয়া গার্মেন্টসকর্মী নারীদের সাথে জোর করে যৌন সম্পর্ক করে থাকে। ভাড়াটিয়া মেয়েদের সোযোগ পেলেই ঝাপটে ধরে আহাদ। তাই আহাদের ভয়ে ভাড়াটিয়া যৌবতীরা রাতে ঘর থেকে একা বের হয়না। বাড়ীতে দেহ ব্যবসা চলে বিধায় আহাদ এসব মক্ষীরানীদের পালিত নারীদের সাথে যখন তখন ফুর্তি করে থাকে। আহাদ মাদক ব্যবসার সাথেও জড়িত বলে অভিযোগ জানায় স্থানীয়রা। হিজড়া নূপুরের সাখে অপকর্ম করতে গিয়ে গেড়াকলে পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়। হিজড়াতাদের সাহস যোগাতে বহু এলাকাবাসী এগিয়ে আসে। হিজড়াদের পক্ষ নিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষও লম্পট আহাদের শাস্তির দাবি জানায়।






Related News

Comments are Closed