Main Menu

সিদ্ধিরগঞ্জে যুবতী মেয়ের অবৈধ গর্ভপাত ধামাচাপা দিতে সন্ত্রাসীরা মাঠে নেমেছে

kalerchitro 19.07সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধিন আদমজী নতুন বাজার এলাকায় যুবতী কাজের মেয়ের অবৈধ গর্ভপাত ধামাচাপা দিতে সন্ত্রাসীরা মাঠে নেমেছে। গৃহকর্তা ধর্ষক নাজমুলকে রক্ষা করতে প্রভাবশালী এক নেতার শেল্টারে সন্ত্রাসীরা মরিয়া হয়ে উঠেছে। ঘটনা প্রকাশ করায় ধর্ষকের প্রতিবেশী তুহিন ও ডা: নাহিদকে বিভিন্ন হুমকি। সন্ত্রাসীদের হুমকি ধমকিতে এলাকায় বিরাজ করছে উত্তেজনা। দেখা দিয়েছে সংঘর্ষের আসঙ্কা। গ্রাম্য সালিশী বৈঠক বসেও কোন সুরাহা হচ্ছেনা। প্রথমে ধর্ষকের বিচারের দাবিতে ধর্ষিতা স্থানীয় মাদবরদের দ্বারে দ্বারে ধর্ণা দিলেও পরে ধর্ষক পক্ষের সন্ত্রাসীদের প্রাণ নাশের হুমকি ও মোটা অংকের অর্থ পেয়ে ধর্ষিতা ম্যানেজ হয়ে পড়ায় বিষয়টি জটিল আকার ধারণ করেছে। ধর্ষিতার পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের না করায় পুলিশ আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করতে পারছে না। এতে ধর্ষন ঘটনা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ধুম্্রজাল।
অভিযোগ জানা গেছে, আদমজী নতুন বাজার এলাকার মৃত নজরুলের ছেলে মোঃ নাজমুল (২৫) তার বাড়ীর ১৯ বছরের যুবতী কাজের মেয়ের সাথে যৌন সম্পর্ক গড়ে তুলে। নিয়মিত যৌন মিলনে মেয়েটি ৩ মাসের অন্তসত্তা হয়ে পড়ে। বিষয়টি জানার পর, গত রমজান মাসে নাজমুল ধর্ষিতাকে ১৫ হাজার টাকা দিয়ে ঢাকার রায়ের বাগে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে গর্ভপাত ঘটায়। গর্ভপাত ঘটিয়ে বাড়ীতে নিয়ে আসার পর যুবতীর রক্তকরণ শুরু হয়। তখন নাজমুল রক্তকরণ বন্ধের জন্য আদমজী নতুন বাজার থেকে ডা: নাহিদের কাছ থেকে সাড়ে ৩‘শ টাকার ওষুধ কিনে নেয়। এর আগেও ওই কাজের মেয়েকে একবার গর্ভপাত ঘটিয়েছিল নাজমুল। দ্বিতীয় বার গর্ভপাত ঘটানোর বিষয়টি মেয়ের মা জেনে যায়। তখন লম্পট নাজমুলের বিচার দাবিতে ধর্ষিতা ও তার মা এলাকার বিভিন্ন মাদবরদের দ্বারে দ্বারে ধর্ণা দিতে থাকে। এতে এক কান দু,কান করে ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়টি নিয়ে ধর্ষক নাজমুলের সাথে প্রতিবেশী তুহিনের বাক বিতন্ডা হয়। এ নিয়ে উত্তেজনা দেখা দিলে ধর্ষক নাজমুলের উদ্যোগে ধর্ষিতা ও তার মা এর উপস্থিতিতে গত ১৯ জুলাই আদমজী নতুন বাজারে সালিশী বৈঠক বসে। বাজার কমিটির সভাপতি মোঃ মন্টু মিয়া,সহ-সভাপতি কালাম মুন্সি,সাধারণ সম্পাদক সামছুদ্দিনসহ এলাকার অনেক মাদবর বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকে ধর্ষিতা ও তার মা স্বীকার করে গৃহকর্তা নাজমুল ১৫ হাজার টাকা দিয়ে গর্ভপাত ঘটিয়েছে। ধর্ষিতার স্বীকারোক্তির পর বৈঠকের মাদবররা সিদ্ধান্ত নেয় এমন স্পর্স কাতর ঘটনার বিচার করার এখতিয়ার তাদের নেই। পরে ধর্ষক নাজমুল ক্ষমতাসিন দলের স্থানীয় এক প্রভাবশালী নেতাকে ম্যানেজ করে ঘটনা ধামাচাপা দিতে উঠেপড়ে লাগে। নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ক্ষমতাসিন দলের ওই নেতার পালিত সন্ত্রাসীরা ধর্ষিতা ও তার মাকে প্রাণ নাশের হুমকি ও মোটা অংকের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে ফেলে। গর্ভপাত মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য ধর্ষক নাজমুল নিজে ধর্ষিতাকে কোন এক ডাক্তারের কাজে নিয়ে গিয়ে একটি ভূয়া চেকআপ রিপোর্ট তৈরি করে। রিপোর্টটি ফটুকপি করে নাজমুল এলাকাবাসীর মাঝে বিলি করে বলে গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগ সঠিক না। অপর দিকে এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে ধর্ষক পক্ষ সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের স্বরনাপন্ন হয়। থানার এসআই ওমর ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে ধর্ষিতা ও তার মা এর সাথে কথা বলে। ধর্ষিতা ও তার মা পুলিশের কাছে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেনি বলে জানায় এসআই ওমর ফারুক। তিনি আরো জানান, ধর্ষিতার পক্ষ থেকে অভিযোগ না করায় বিষয়টি নিয়ে আর অগ্রসর হইনি। কাজের মেয়ের গর্ভপাত ঘটানোর সূত্র ধরে তুহিনকে হুমকি প্রদান ও ১৯ জুলাই বৈঠকে কি রায় হয়েছিল এসব বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গত ২ আগষ্ট আদমজী নতুন বাজার এলাকায় অনুসন্ধানে নামে স্থানীয় কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মী। বৈঠকে উপস্থিত বাজার কমিটির সহ-সভাপতি কালাম মুন্সিসহ অন্যান্যদের সাথে কথা বলে গণমাধ্যম কর্মীরা। এ খবর পেয়ে এসআই ওমর ফারুকও সেখানে ছুটে যান। এসময় এলাকার বহু লোকজন জমা হলে ধর্ষকের শেল্টারদাতা সন্ত্রাসীরা এসআই ওমর ফারুক ও উপস্থিত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে তাদের অনুগত চাঁদাবাজি করতে গিয়ে একাধিকবার গণপিটুনী খাওয়া দু,জন অপসাংবাদিককে ১০ হাজার টাকা দিয়ে ঘটনা ভিন্ন খ্যাতে প্রভাহিত করতে কৌশলে অপপ্রচার চালায়। এতে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।






Related News

Comments are Closed