Main Menu

খুলনার দাকোপে হিন্দুদের জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা

10e38ee54c67104a7227fcb465db5caeখুলনার দাকোপের আঁচাভূয়া খ্রিষ্টান মিশন কতৃর্ক জোরপূর্বক ধর্মান্তরিতকরণ, পুজা অর্চনায় বাঁধা প্রদান, সুকৌশলে উচ্ছেদ, সাদা ষ্টাম্পে স্বাক্ষর গ্রহণ করে খ্রিষ্টান বানানোর চেষ্টাসহ আইলা দূর্গত এলাকার ছিন্নমুল হিন্দুদের নানাভাবে হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। চালনা পৌরসভার মেয়রের কাছে আঁচাভূয়া হিন্দুপাড়ার ৩৮ অসহায় ছিন্নমুল পরিবারের পক্ষ থেকে দেয়া লিখিত অভিযোগেএ তথ্য পাওয়া যায়।

চালনা পৌরসভার মেয়রের কাছে দেয়া লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, তারা ১২/১৩ বছর যাবৎ খ্রিষ্টান মিশন কর্তৃক প্রদত্ত জায়গায় বসবাস করে আসছে। বর্তমানে স্থানীয় খ্রিষ্টান কর্তৃপক্ষ এ সকল হিন্দু অসহায় পরিবারকে তাদের জায়গায় বসবাস করতে হলে বাধ্যতামূলক খ্রিষ্টান হতে হবে এ মর্মে তাদের শর্তসম্বলিত স্টাম্পে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করার মুহুর্তে বিষয়টি ফাঁস হয়ে যায়। খ্রিষ্টানদের দেয়া শর্ত সকলে মেনে নিতে রাজী না হওয়ায় বিষয়টি স্থানীয় পৌর মেয়রকে জানালে এ ব্যাপারে তিনি মীমাংসার জন্য খ্রিষ্টান পাড়ায় সরেজমিনে দেখতে গেলে বিরোধের সৃষ্টি হয়।

বসবাসরত গরীব হিন্দু পরিবাররা মেয়রকে জানায়, তাদেরকে এখানে বসবাস করতে হলে বাধ্যতামূলক খ্রিষ্টান হতে হবে। আমরা সকল পরিবার তাদের শর্তে রাজী হয়ে স্টাম্পে স্বাক্ষর না করায় আমাদেরকে নানাভাবে অত্যাচার শুরু করেছে।

খ্রিষ্টান মিশনের কর্মকর্তা জীবন্ত নাথ বলেন, আমরা কাউকে জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করতে চাইনা। পরিবারগুলো শর্ত সাপেক্ষে এখানে বসেছিল। বর্তমানে এখানে বসবাস করতে হলে আমাদের সংগঠনের নিয়মনীতি মোতাবেক যে শর্ত রয়েছে তা ইতোমধ্যে তাদের সকলের উপস্থিতে বার বার পাঠ করে শুনিয়েছি। ওই শর্তে যারা রাজি থাকবে তারা শুধু এখানে বসবাস করতে পারবে। ওই শর্তে কোথাও ধর্মান্তরিত করার কথা লেখা নেই বরং সেখানে লেখা আছে ঘরে বসে যে যার ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করতে পারবে।

এ ব্যাপারে চালনা পৌর মেয়র ড.অচিন্ত্য কুমার মন্ডলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দীর্ঘকাল যাবৎ বসবাসরত বেশ কয়েকটি হিন্দু পরিবারকে উচ্ছেদের জন্য তাদের ব্যবহার্য্য পুকুরে মরা গরু, কুকুর, বিড়াল ফেলে খ্রিষ্টানরা এক অসহনীয় পরিবেশ সৃষ্টি করে তুলেছে। এর প্রতিবাদ করলে তারা এই পরিবারের লোকজনদের সাথে দুর্ব্যবহার করছে এবং ৭ দিনের মধ্যে ভিটে ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দিচ্ছে। এলাকার লোকজন স্থানীয় প্রশাসন, এমপি ও আমার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে। অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে মিশনের লোকজন আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করেছে।






Related News

Comments are Closed