Main Menu

‘হাসনাত-তাহমিদ জিজ্ঞাসাবাদের পর্যায়ে রয়েছে’

kalerchitro 16.07.........ঢাকার পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া জানিয়েছেন, গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারি থেকে উদ্ধারের পর ‘নিখোঁজ’ আবুল হাসনাত রেজাউল করিম ও তাহমিদ হাসিব খান ‘জিজ্ঞাসাবাদের পর্যায়ে’ রয়েছে।

নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাত এবং প্রবাসী যুবক তাহমিদকে উদ্ধারের পর পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দিয়েছে দাবি করলেও কাউকে পায়নি বলে তাদের পরিবার জানিয়েছে।

শনিবার নিজের দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান বলেন, “তারা এখনও জিজ্ঞসাবাদের পর্যায়ে রয়েছেন।” ওই দুজন কোথায় আছে- প্রশ্ন করা হলে তা এড়িয়ে গিয়ে তিনি বলেন, “সেটা তদন্তকারী দল বলতে পারবে। তাদের জিজ্ঞাসা করেন।”

গুলশানের ওই ক্যাফেতে ১ জুলাইয়ের জিম্মি দশার একটি ভিডিওচিত্র প্রকাশের পর নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাতের বিরুদ্ধে হামলায় সম্পৃক্ততার সন্দেহের কথা উঠে আসে ফেইসবুকে।

হাসনাত নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। ক্যাফেতে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে যে পাঁচ হামলাকারী নিহত হন, তাদের মধ্যে নিবরাস ইসলামও ঢাকার এই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। অন্যদিকে ব্যবসায়ী শাহরিয়ার খানের ছেলে তাহমিদ কানাডার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন। গুলশানের ঘটনার একদিন আগে দেশে ফিরে ইফতারের পর বন্ধুদের সঙ্গে তিনি ওই ক্যাফেতে গিয়েছিলেন বলে পরিবারের ভাষ্য।

গণস্বাস্থ্যের মহাপরিচালক ড. জাফরুল্লাহ বনানী থানার ওসি সালাহউদ্দিন সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন সেই বক্তব্যকে প্রত্যাখান করে সংবাদ সম্মেলনে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, যারা বক্তব্য দিয়ে জঙ্গিবাদকে উসকে দিতে চায়, তাদের ছাড় দেওয়া হবেনা। দেশের প্রচালিত আইনে তাদের বিচার করা হবে। তার এমন বক্তব্য উদ্দেশ্য প্রণোদিত। এ ধরনের বক্তব্য জঙ্গিবাদকে উসকে দেবে।

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, গুলশানের ঘটনায় বেশ অগ্রগতি হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে পুরো বিষয়টি আমরা এখন জানাতে পারছিনা। আমাদের উপর আস্থা রাখুন। গুলশানের ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের একার পক্ষে এ ধরনের হামলা করা সম্ভব নয়। এদের কেউ আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়েছে এবং অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছে। যারা পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছে মদদ দিয়েছে তাদের খুঁজে বের করার জন্য গোয়েন্দরা কাজ করছে। সবকিছু মাথায় রেখেই আমরা তদন্ত করছি। এদের কারা মদদ দেয় সেই মূলকে উৎপাটনের জন্য কাজ করছি।

ঢাকা শহরে প্রতিটি রাস্তায় চেকপোষ্ট বসানো হয়েছে। এ ব্যাপারে সবাইকে সহযোগিতা করতে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, কোন এলাকায় সন্দেভাজন কাউকে দেখলে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে জনসাধারণকে অনুরোধ করছি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গুলশানের ঘটনায় ভারতে গ্রেপ্তার রয়েছে এমন তথ্য আমাদের কাছে নেই তবে এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই বাংলাদেশী নাগরিক। এবং তাদের প্রশিক্ষণও বাংলাদেশে হয়েছে। গুলশানের ঘটনায় পাঁচজন জঙ্গি পুলিশের চোখকে ফাঁকি দিয়ে অস্ত্র দিয়ে ঢুকে পড়ল এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন ঘটনার তদন্ত হচ্ছে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অব্যশই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সারাদেশে যে নিখোঁজদের প্রকৃত সংখ্যা কত এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নিখোঁজদের প্রকৃত সংখ্যা আমি এখন বলতে পারবনা তবে এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে। কেউ নিখোঁজ হলেই যে জঙ্গিবাদে জড়িত তা ঠিক নয়। বিভিন্ন কারনে যে কেউ নিখোঁজ হতে পারে।






Related News

Comments are Closed