Main Menu

বাংলাদেশের ৬৪ জেলার নামকরণের ইতিহাস (কুমিল্লা জেলা)

full_1539315046_1467614645আমাদের এই ছোট্ট বাংলাদেশের অনেক কিছুই আমাদের অজানা। তেমনি আমরা অনেকেই জানি না আমাদের ৬৪ জেলার নামকরণের ইতিহাস। বাংলাদেশের ৭টি বিভাগের ৬৪টি জেলার নামকরণের ইতিহাস সংক্ষেপে ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরবো আমরা।

১. বরিশাল বিভাগ
২. চট্টগ্রাম বিভাগ
৩. ঢাকা বিভাগ
৪. খুলনা বিভাগ
৫. রাজশাহী বিভাগ
৬. রংপুর বিভাগ ও
৭. সিলেট বিভাগ।

বরিশাল বিভাগের পর এবার আমরা জানবো চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোর নামের ইতিহাস। এই পর্যায়ে আজ আমরা ‘কুমিল্লা’ জেলার নামকরণের ইতিহাস সম্পর্কে জানবো।

‘কুমিল্লা জেলা’

প্রাচীনকালে এটি সমতট জনপদের অন্তর্গত ছিল এবং পরবর্তীতে এটি ত্রিপুরা রাজ্যের অংশ হয়। কুমিল্লা নামকরণের অনেকগুলো প্রচলিত লোককথা আছে, যার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো চৈনিক পরিব্রাজক ওয়াং চোয়াং কর্তৃক সমতট রাজ্য পরিভ্রমণের বৃত্তান্ত। তার বর্ণনায় কিয়ামলঙ্কিয়া (Kiamolonkia) নামক স্থানের বর্ণনা রয়েছে তা থেকে কমলাঙ্ক বা কুমিল্লার নামকরণ হয়েছে। ১৯৬০ সালে কুমিল্লা জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

এছাড়া, ত্রিপুরা থেকে কুমিল্লা নামকরণের  ইতিহাসের তথ্য বিভিন্নভাবে পাওয়া যায় তবে উল্ল্যেখযোগ্য কয়েকটি কারণ নিচে উল্ল্যেখ করা হলো–

১. ত্রিপুরা থেকে কুমিল্লা নামকরণে বিরাট ধর্মীয় ইতিহাস প্রচলিত আছে। চতুর্দশ শতকে হজরত শাহজালাল (র.) তার মামা আহমেদ কবীরের নির্দেশে একমুঠো মাটি নিয়ে ধর্ম প্রচারে বের হন। মামা নির্দেশ দেন এই মাটির মতো মাটি যেখানে পাবে সেখান থেকেই ধর্ম প্রচার শুরু করতে। হজরত শাহজালাল বিভিন্ন জায়গা ঘুরে এই কুমিল্লাতেই সেই মাটির মতো মাটি খুঁজে পান। যখন খুঁজে পান, তখন তিনি আনন্দে বলে উঠেন ‘কোহমিলা’ যার অর্থ কাঙ্ক্ষিত মাটি। সেই কোহমিলা থেকেই কুমিল্লা নামকরণ করা হয়েছে আর এখান থেকেই হজরত শাহজালাল ধর্ম প্রচার শুরু করেন।

২. কুমিল্লা একসময় বর্তমান ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের অংশ ছিল এবং সেই সময় নোয়াখালীও এর অংশ ছিল। ১৭৩৩ সালে বাংলার নবাব সুজাউদ্দিন ত্রিপুরা রাজ্য আক্রমণ করে এর সমতল অংশ সুবে বাংলার অন্তর্ভুক্ত করেন। ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কুমিল্লা দখল করে। ১৭৮১ সালে নোয়াখালীকে কুমিল্লা থেকে পৃথক করা হয়। ১৭৯০ সালে কোম্পানি শাসনামলে ত্রিপুরা নামের জেলার সৃষ্টি। ১৯৬০ সালে জেলার নাম করা হয় কুমিল্লা।






Related News

Comments are Closed