Main Menu

অস্ট্রেলিয়ার দুশ্চিন্তা কাজে লাগাতে পারবে বাংলাদেশ?

b864da3ad708d58d11638c5c785a4ff6-Shakib-alবাংলাদেশ আর অস্ট্রেলিয়ার একটা মিল আছে। এই গ্রুপে এই দুটি দলই কেবল জয় পায়নি! দুটি জয় পেয়েছে নিউজিল্যান্ড এবং ভারত পেয়েছে একটি জয়। একটি জয় পাকিস্তানের। আর এই তিন দলের জয়েই ভূমিকা রেখেছে স্পিন।
ভারতে স্পিনাররা সুবিধা পাবেন, এটা নতুন কোনো তথ্য নয়। তবে এবার কিছু কিছু উইকেটে যেন স্পিনের বিষ ছড়ানো। ভারতের উইকেট স্পিনারদের সাহায্য করবে জানার পরও চমকে যেতে হচ্ছে। ইশ সোধি যেমন এত বেশি টার্ন পাচ্ছেন, নিজেও যেন বুঝতে পারছেন না কোন লাইনে বলে করবেন। ওয়াইড হয়ে যাচ্ছে বল! অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথও বলেছেন, ‘আমাদের দলের অনেকেই আইপিএলে এখানে খেলেছে। তবু এমন স্পিনিং উইকেট কিন্তু খুব বেশি দেখা যায় না।’
অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ দলের মধ্যে আরও একটা মিল পাওয়া যাচ্ছে। এই দুটি দলই এখন পর্যন্ত স্পিনটাকে নিজেদের অস্ত্র বানাতে পারেনি। নিউজিল্যান্ড ম্যাচে দুই স্পিনার নিয়ে খেলালেও সেই দুজনকে দিয়ে মাত্র এক ওভার করে বল করানো হয়েছে। অ্যাশটন অ্যাগার এক ওভারে ১৮ রান দিয়ে ফেললেও অ্যাডাম জামপা কিন্তু দিয়েছিলেন মাত্র তিন রান।
মজার ব্যাপার হলো, অস্ট্রেলিয়ার প্রতিবেশী নিউজিল্যান্ড কিন্তু এই স্পিন দিয়েই চমক দেখাচ্ছে। স্যান্টনার আর সোধি তো দুর্দান্ত বোলিং করছেন। স্যান্টনার মাত্র দুই ম্যাচে তুলে নিয়েছেন ৬ উইকেট। বাংলাদেশ পেস আক্রমণকেই মূল শক্তি ধরে নিলেও পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে হয়তো স্পিনের দিকেই ঝুঁকবে দল। এরই মধ্যে আরাফাত সানি ও তাসকিন আহমেদের বদলি হিসেবে দুজন স্পিনারকে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শুভাগত হোম ও সাকলাইন সজীব।

দলে আগে থেকেই আছেন চারজন স্পিনিং অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, সাব্বির আহমেদ ও নাসির হোসেন। সব মিলিয়ে স্কোয়াডে এখন ছয়জন স্পিনার। আজ বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচেই দেখা গিয়েছে এই মাঠে দুই দলের স্পিনাররাই কেমন ছড়ি ঘোরাচ্ছেন মাঠে। আজ তাই একাদশে স্পিনারদের ভিড় দেখা যেতেই পারে।
কিন্তু বাংলাদেশের স্পিনারদের ফর্মটাই চিন্তায় ফেলে দিচ্ছে। ওমান ম্যাচে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিলেও পাকিস্তান ম্যাচে ভালো করতে পারেননি সাকিব। মাহমুদউল্লাহ, সাব্বিরকে ইদানীং খুব একটা বল হাতে দেখা যায় না। নাসির তো দলেই ঢুকতে পারছেন না। মাত্রই দলে যোগ দেওয়া শুভাগত কিংবা সাকলাইন কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারবেন কি না, সেটিও ভাবনার বিষয়।
অস্ট্রেলিয়ার দুশ্চিন্তা শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের দুশ্চিন্তায় পরিণত না হলেই হলো!



« (Previous News)
(Next News) »



Related News

Comments are Closed