Main Menu

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও নৌ-পথে নিরাপদ যাতায়াতের কারণেই পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে ষাটনল পর্যটন কেন্দ্রে

MATLAB NEWS 04-02-2016 (3)মনিরুল ইসলাম মনির :
মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল পর্যটন কেন্দ্র পর্যটকদের ভীর লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে এই ভীর বেশী লক্ষ্য করা যায় বিশেষ করে শুক্রবার ও সরকারী ছুটির দিনে। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বড় বড় লঞ্চ নিয়ে আসে এই ষাটনল পর্যটনে। ঢাকার নিকটবর্তী ও লঞ্চযোগে যাতায়াত সুবিধার কারনেই এই ষাটনল পর্যটন কেন্দ্রে ভীর করছেন। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যরে কারনেই এই শীতে পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে এ পর্যটন কেন্দ্রে। নদীর ভাঙ্গনমুক্ত সবুজে ঘেরা দীর্ঘ মাঠ, সৌন্দর্য মন্ডিত সারি সারি গাছ আর সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশের সূর্য ধীরে ধীরে নদীর বুকে সুর্যাস্তের দৃশ্য পর্যটকদের খুবই আকৃষ্ট করে।
নদীমাতৃক এলাকা হওয়া সত্ত্বেও চাঁদপুর জেলায় চিত্ত বিনোদনের জন্য তেমন কোনো জায়গা নেই। চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার পদ্মা ও মেঘনা নদীর মিলনস্থলে মেঘনা নদীর পাড়ে ষাটনল পর্যটন কেন্দ্র দিনকে দিন খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তাছাড়া ষাটনলের এই স্পটটি ভৌগলিক দিকথেকে নারায়নগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ ও রাজধানী ঢাকার খুবই নিকটবর্তী। চাঁদপুর জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবীর প্রেক্ষিতে ২০০০ সালের ২৩ এপ্রিল মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনলে ৩ মন্ত্রীর উপস্থিতিতে পর্যটন কেন্দ্রের ভিত্তি প্রস্তরের ফলক উন্মোচন করা হয়। ষাটনলের মেঘনা নদীর পাড়ে প্রায় ১০০ একর ভূমির ওপর পিকনিক স্পট নিমার্ন করার জন্য চাঁদপুর জেলা পরিষদের ওপর দায়িত্ব দেয়া হয়। জেলা পরিষদ বিশ্রামাগার, রন্ধনশালা, ড্রেসিং ভবন ও ডাইনিং ভবন নির্মাণ করেন।
এছাড়া স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ও নলকূপ স্থাপন করা হলেও এখনো আরো অনেক কিছু প্রয়োজন। এ ব্যপারে জেলা পরিষদের একজন কর্তা জানান, প্রয়োজনীয় বরাদ্ধ না পাওয়ায় আনুষাঙ্গিক অনেক কাজ এখনো বাকী আছে। তবে বরাদ্দ পাওয়া গেলে ষাটনলকে আধুনিক পর্যটন কেন্দ্রে রুপান্তর করা সম্ভব।
পর্যটকদের পদচারণা পড়ছে এ পর্যটন কেন্দ্রে। ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ, চাঁদপুর, কুমিল্লা দাউদকান্দি ও শরীয়তপুর থেকে অল্প সময়ের মধ্যে এ পর্যটন কেন্দ্রে আসা যায়। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে নৌপথ ও সড়কপথে এ পর্যটন কেন্দ্রে আসা সম্ভব। ষাটনল থেকে চাঁদপুর লঞ্চঘাট পর্যন্ত নদীর পাড় ও চরগুলো পিকনিক স্পট হিসেবে পর্যটকরা ব্যবহার করতে পারেন। যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ, খরচ কম আর মনোমুগ্ধকর স্থান বলেই এ পর্যটন কেন্দ্র আকৃষ্ট করছে পর্যটকদের। এ পর্যটন কেন্দ্রটি ক্রমেই জমে উঠছে।
ষাটনলে আসা কয়েকজন পর্যটকের সাথে কথা হলে তারা জানান, মনোরম পরিবেশে পর্যটন কেন্দ্রটির অবস্থান। আর এখানকার নদী, নদীর পাড় ও চরগুলোতে বিচরন না করে গেলে মনেহবে যেনো কি যেনো বাদ পড়ে গেছে। তবে এই মনমুগ্ধকর পরিবেশটাকে কাজে লাগালে সরকার এই পর্যটন কেন্দ্রটিকে গড়ে তুলতে পাড়ে দেশের একটি অন্যতম সেরা পর্যটন কেন্দ্রে।
এ ব্যপারে মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনজুর আহমদ মঞ্জু বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বর্তমান সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম দীর্ঘ্যদিনের স্বপ্ন এই ষাটনলে আধুনিক পর্যটন গড়া ওনার সাথে আমার এ বিষয়ে কথা হয়েছে তাই আশাকরি দ্রুততম সময়ের মধ্যেই তিনি এর বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিবেন।






Related News

Comments are Closed