Main Menu

সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসায় হামলা সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলন সত্য ঘটনা তুলে ধরলেন ইয়াছিন মিয়া

2 (Medium)সিদ্ধিগঞ্জে মাদ্রাসায় হামলা সংক্রন্ত সংবাদ প্রকাশ প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে সত্য ঘটনা তুলে ধরলেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সাধারণর সম্পাদক হাজী মোঃ ইয়াসিন মিয়া। দু’কোটি টাকা চাঁদার দাবিতে সিদ্ধিরগঞ্জের হীরাঝিলস্থ মক্কী নগর মাদরাসায় হামলা ও পেন্সিপাল মাওলানা তাহের আল হোসাইনীকে মারধর করার মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত করা হয়। গতকাল রোববার বিকের ৪’টায় সিদ্ধিরগঞ্জ পুলস্থ দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে হাজী ইয়াছিন মিয়া প্রকাশিত সংবাদ বিষয়ে খুবই মর্মাহত ও দুঃখ প্রকাশ করে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন, একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে চাঁদা দাবি ও আলেমকে আমি মারধর করেছি এটা কোন বিবেগবান মানুষ বিশ্বাস করবে বলে আমি মনে করিনা।তিনি বলেন প্রকৃত বিষয় হলো,মক্কী নগর মাদরাসা কর্তৃপক্ষ এমন ভাবে ভবন নির্মাণ করছে যা লোকজন চালাচলে অসুবিধা সৃষ্টি হবে।এমন অভিযোগ নিয়ে ওই এলাকার কিছু লোকজন আমার কাছে আসেন।এলাকাবাসীর অনুরোধে আমি শনিবার সকালে মাদরাসায় যাই।নির্মাণ কাজ দেখার সময় লক্ষ্য করলাম মাদরাসার লোকজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে তর্কবিতর্ক চলছে।এক পর্যায় তা চরম আকার ধারণ করে।এসময় আমি উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার চেষ্টা করি।কিন্তু মাদরাসার উশৃঙ্খল কিছু ছাত্র এলাকার লোকজনের উপর চড়াও হয়।পরিস্থিতি আমার নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে গেলে আমি তাৎক্ষণিক উক্ত স্থান ত্যাগ করি।এসময় আমি লক্ষ্য করলাম ছাত্ররা মিজমিজি পাইনাদী কেন্দ্রীয় কবরস্থান ও মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মফিজুল ইসলাম মজুকে মারধর করছে।তখন আমি তাৎক্ষণিক সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসিকে ফোন করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করতে অনুরোধ করি যাতে কোন বিশৃঙ্খলা না ঘটে।পরে জানতে পারি মাদরাসার ছাত্ররা মজুকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে মাদরাসার ভিতরে আটকিয়ে রাখে।পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত ও মজুকে উদ্ধার করে। তুচ্ছ এ ঘটনাকে ফুলিয়ে ফাপিয়ে বিএনপি জামায়াতের প্ররোচনায় মক্কী নগর মাদরাসা কর্তৃপক্ষ আমি ও সরকারি দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য মিথ্যা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করার ফলে বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক প্রত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।এ ধরনের মিথ্যা কাল্পনিক সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় তিনি খুবই মর্মাহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।এ ছাড়াও তিনি জানিয়েছেন,বিষয়টি সামাজিক ভাবে বসে মিটমিমাংশা করার জন্য ঘটনার দিন রাতেই মাদরাসা কর্তৃপক্ষ থানায় লিখিত দিয়েছে।যার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন থানার ওসি সরাফত উল্লাহ।তবে সাংবাদিকদের এক পশ্নের জবাবে ইয়াছিন মিয়া বলেন,এলাকার মনির হোসেনের সাথে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের বিরোধ চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।মাদরাসার পশ্চিম পাশের জায়গা সরকারি।তবে মালিক দাবি করছে মনির।সরকারের কাছ থেকে লীজ নিয়ে মাদরাসা ও মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে।কিন্তু গত ১ বছর আগেই সরকার ওই লীজ বাতিল করে দিয়েছে।মনির ও মাদরাসা কর্তৃপক্ষের জমি সংক্রান্ত বিরোধ বিষয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাইনি।নতুন ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে উপর দিয়ে রাস্তার দিকে প্রায় ৩ ফিট বেশী।এ বেশী অংশের কারণে জনচলাচলে অসুবিধা হবে বলে এলাকাবাসী আমাকে জানায়।আমি তাই দেখতে গিয়ে ছিলাম।চাঁদা দাবি কিংবা কাউকে মারধর করতে নয়।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন রেনু,সহ-সভাপতি সাদেকুর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক,মিয়াজ উদ্দিন সর্দার,প্রচার সম্পাদক তাজিম বাবু,সদস্য বদিউজ্জামান বদু,গোদনাইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি এম.এ বারি,সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম,আদমজী আঞ্চলিক শ্রমিকলীগ সভাপতি আাবদুছ ছামাস বেপারী,থানা ছাত্রলীগের আহবায়ক শাহ জালাল বাদল,থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক রাজু,সুমিলপাড়া ইউনিয়নের সভাপতি হোসেন সর্দার, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সালাউদ্দিন,দপ্তর সম্পাদক কাজী আতাউর রহমান,এম এ মজিদ সাউদ, যুবলীগ সাহাবুদ্দিন মিয়া, ওমরফারুক, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগ, প্রচারলীগ, হকার্স লীগ, কৃষকলীক ও অঙ্গসংগঠনের কয়েক মতাধিক নেতাকর্মী। অপর দিকে নাসিক ২নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারন সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত রাসেলে’র নেতৃত্বে একটি বিশাল মিছিল নিয়ে থানা আওয়ামীলীগের সাংবাদিক সম্মেলনে যোগদেন। মিছিলে অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নাসিক ২নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুল ইসলাম সনেট, যুবলীগ নেতা আব্দুল হাকিম, সাজ্জ্দ হোসেন, কামরুল ইসলাম, রোকন উদ্দিন, লিটন সিকদার, মোমেন, এনায়েত হোসেন, মনির হোসেন, মাসুদ, ইউসুফ, কবির হোসেন, মোঃ সরল, সাব্বির ও মাসুম প্রমূখ।






Related News

Comments are Closed