Main Menu

তিন বছর কাঁচপুরে থেকে অনেক ছেলেকে প্রেমেরফাঁদে ফেলে করেছে সর্বশান্ত মির্জাগঞ্জের পূর্ববাজিতার খলিল মৃর্ধার নষ্টা মেয়ে পতিতা আয়শা আক্তার মনি এখন চতুর্থ স্বামী বেতাগীর তালগাছিয়ার কবিরের ঘরে

বেতাগী (বরগুনা ) প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়নয়ের পূর্ববাজিতা গ্রামের খলিল মৃর্ধার নষ্টা মেয়ে পতিতা আয়শা আক্তার মনি তিন বছর ঢাকা ও কাঁচপুরে থেকে অনেক ছেলের সাথে প্রতারণা ও প্রেমেরফাঁদে ফেলে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে তাদেরকে করেছে সর্বশান্ত।খলিল মৃর্ধার প্রতারক ও দেহপসারিনী নষ্টা মেয়ে আয়শা আক্তার মনি এখন চতুর্থ স্বামী বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার ১ নং বিবিচিনি ইউনিয়নের তালগাছিয়া গ্রামের মৃত মোহাম্মাদ গড়ামীর ছেলে দিনমজুর কবিরের ঘরে। ঢাকা ও কাঁচপুরে একে একে তিনটি ছেলের সাথে বিয়ে এবং একাধিক ছেলের সাথে অবৈধ সম্পর্ক করেছে এই নারী নামে কলংক আয়শা আক্তার মনি। সে যৌবনের জ্বালায় ২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে পালিয়ে ঢাকায় এসে বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে পতিতাবৃত্তি ব্যবসা করে টাকা পাঠাতো পিতাকে। ঘরে সৎমা। পিতা ও মাতাকে বলতো ঢাকায় গার্মেন্টে চাকরী করে। কিন্তু বাস্তবে সে কোন চাকরী করেনি। একে একে ছেলেদের ফাঁদে ফেলে কাবিন ছাড়া দুটি ছেলের সাথে বিয়ে বসে। বেশী দিন স্থায়ী হয়নি। পরে ১ লাখ টাকা দেন মোহর ধার্য করে কাবিন করে বিয়ে করে পুটয়াখালীর সুবিদখালীর শাহাদাত হোসেন ওরফে শাহানাজ মিয়াকে।বিগত তিনটি বছর তার ঘর সংসার করার সময়েও এই কালনাগিনী আয়শা আক্তার মনি অনেক ছেলের মনোরঞ্জন করেছে তার যৌবন দিয়ে। অনেক ছেলের সাথে প্রেমের ফাঁদে ফেলে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিতো এই মনি। স্বামী ডিউটিতে গেলে এই নষ্টা নারী পর পুরুষ ঘরে এনে দেহের জ্বালা মেটাতো। অনেকবার হাতেনাতে ধরা পড়ার পর তার স্বামী শাহাদাত মনিকে বেধড়ক মারধর করে হাত-পা বেঁধে। স্বামীর মার খেয়ে স্বামীকে বাপ পর্যন্ত ডেকেছে। জীবনে আর কোনদিন এই অপকর্ম করবেনা বলে একাধিকবার অঙ্গীকার করেও মনি থেমে থাকেনি। ছেলেদের জীবন নষ্ট করে এখন গ্রামের বাড়িতে গিয়ে নতুন করে আবারও বিয়ের পিঁিড়তে বসেছে। বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার ১ নং বিবিচিনি ইউনিয়নের তালগাছিয়া গ্রামের মৃত মোহাম্মাদ গড়ামীর ছেলে কবিরকে চতুর্থবারের মতো স্বামী হিসেবে বরণ করেছে গত ৪ নভেম্বর ২০১৫। কিন্তু আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে এই পতিতা নারী মনি তার চতুর্থ স্বামী কবিরকে বলেছে সে কোন দিন ঢাকায় আসেনি। অথচ মনি ৩টি বছর ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে থেকেছে। কোন কোন বাড়িতে থেকেছে তার সব ঠিকানা ইতিমধ্যে চতুর্থ স্বামী কবিরকে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় মনি কোন কোন ছেলের সাথে অবৈধ সম্পর্ক করেছে, তৃতীয় স্বামীর সংসারে থাকার সময়ও অন্য ছেলেদের সাথে প্রেম করেছে তার সকল অডিও রেকর্ড ও মনি এর পর্ণোছবি (ল্যাংটা ছবি) ও কাঁচপুরের এ্যাপোলো হাসপাতালের উত্তরপাশে শাপলা ষ্টুডিওতে তোলা মনি বেগমের ষ্টীল ছবি এবং মনি বেগমের যৌন সমস্যার ঢাকার ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, নারায়ণগঞ্জের মডার্ন , পপুলার মেডিনোভা, চিটাগাংরোডের মা হাসপাতাল ও কাঁচপুর ব্রিজের গোড়াঁয় সাজেদা হাসপাতালের ডাক্তারদের প্রেসক্রিপশন ও সকল পরীক্ষা- নিরীক্ষার কাগজপত্র পর্যন্ত সব কিছু চতুর্থ স্বামী শাহাদাত ইতিমধ্যে কবিরকে দেওয়া দিয়েছেন, শুধু তাই নয় এই সব প্রমানপত্র মনি কার কার সাথে কথা বলেছে সব অডিও রেকর্ড মেমোরীকার্ডে কবিরের ছোট ভাই খোকনকে এবং তার চাচা জয়নাল গড়ামী, তালগাছিয়ার পোষ্টমাষ্টার কাম রানার মোস্তফা, বারেক মুন্সী মেম্বার, রশিদ মাষ্টারসহ তালগাছিয়া গ্রামের অনেককেই দেওয়া হয়েছে কবির যে একটা মক্ষীরানীকে বিয়ে করেছে এই ঘটনা ফাঁস করে দেওয়ার জন্যই সবাইকে মেমোরীকার্ডে সব দেওয়া হয়েছে।।এই নষ্টা নারী মনি পবিত্র কোরআন শরীফ ছুঁয়ে কসম কেটেও মিথ্যা কথা বলতে দ্বিধাবোধ করেনা। তৃতীয় স্বামীর ঘরে থাকার সময় মনিকে তার স্বামী শাহাদাত কোরআন শপথ করিয়ে বলেছিল জীবনে আর কোন দিন কোন ছেলের সাথে অবৈধ সম্পর্ক করবেনা। কিন্তু নষ্টা নারী মনি সে কথা রাখেনি। এমনকি মনি তার বাপের মামাতো ভাই মির্জাগঞ্জের ঝাটিবুনিয়ার সালামের সাথেও মনি গত ২৭ আগষ্ট বিাগত রাতে -২০১৫, এবং ৩০ সেপ্টেম্বর-২০১৫ রাতেসহ একাধিকবার দৈহিক সম্পর্ক করেছে। যার অডিও রেকর্ড প্রমান রয়েছে। মনি বাড়ির পাশের রুবেল নামে এক ছেলের সাথে এবং বাড়ির মাহবুবু নামে এক ছেলের সাথে এবং ঝাটিবুনিয়ার চাচাতো ভাই রুবেলের সাথে ঢাকায় আসার আগে অবৈধ সম্পর্ক করেছে। যা মনি তার তৃতীয় স্বামীর সাথে সব স্বীকার করেছে। ।সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহতায়ালা, আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সঃ) ও আল্লাহর নাযিলকৃত পবিত্র কোরআনশরীফ, আল্লাহ ও রাসুলকে পর্যন্ত বিশ্বাস করেনা এই নারী কালনাগিনী মনি। এবং পবিত্র কোরআনশরীফ খুলে তার উপর হাত রেখেও যে কোন মিথ্যা কথা বলতে পাওে মনি।এমনকি মৃত মায়ের নামে, আল্লাহ ও নবীর কসম খেয়েও নারীরুপি এই বিষধর সাপ যে কোন মিথ্যা কথা বলতে পারে অনায়াশে। মুহুর্তের মধ্যেই সে যে কোন ছেলেকে তার ফাঁদে ফেলে সর্বনাশ করে দিতে কুণ্ঠাবোধ করেনা। আবার তাকে সে চিনেনা এমনভাব ধরে। এই মেয়েটা একটা দুশ্চিরত্রা, বেশ্যা, নরকের কীট মাত্র। তার বাস্তব জীবনে জানামতে ৩ বছরের খতিয়ান এর কিছু অংশ আপনাদের কাছে তুলে ধরা হলো। গত ১৪-৪-২০১৩ সালে বাড়ি থেকে পালানোর আগে বাড়ির পাশে রুবেল নামে একটা ছেলে সাথে মনি দীর্ঘ এক মাস অবৈধ সম্পর্ক করেছে। নিজ বাড়ির মাহবুর এর সাথে কয়েকবার যৌন সংগম করেছে।এর আগে বরিশালের গৌরনদীর সাইফুল নামে এক ছেলের সাথে বরিশালে গিয়ে একটি আবাসিক হোটেলে ২ ঘন্টা কাটিয়ে বিকেলে বাড়ি ফিরেছে। ওই ঘটনা জানার পরে মনিকে তার পিতা খলিল মৃর্ধা হাত পা বেঁধে বেধড়ক মার ধর করেছে । পরে ২০১৩ সালের ১৪ এপ্রিল পালিয়ে বাড়ি থেকে সৎ মায়ের মার খেয়ে ঢাকায় যায়। প্রথমে আশ্রয় নেয় ঢাকার সায়েদাবাদের হোটেল ইন্টারকমে। সেখানে পর পুরুষের সাথে দেহদান করে এক রাতে ৩০০ টাকা পায়। ২০১৩ সালের ২ মে মনি এর ছোট মামা মিলন ঢাকায় গিয়ে মনিকে মিলনের বাড়িতে নিয়ে আসে। পরে মিলন খলিলকে খবর দেয় মনিকে নেওয়ার জন্য । কিন্তু খলিল সাফ জানিয়ে দেয় ওই নষ্টা মেয়েকে আর বাড়িতে নেবেনা। পরে মনি মিলনের বাড়ি থেকে পালিয়ে মির্জাগঞ্জের ঝাটিবুনিয়ায় বাপের বৌমাত ভাই সোহরাব মুসুল্লীর বাড়িতে যায়। সেখানে চাচাতো ভাই রুবেলের সাথে একাধিকবার সঙ্গম করে মনি। সোহরাব মুসুল্লী পরে খলিল ও তার স্ত্রীকে ডেকে নিয়ে তার হতে দিয়ে দেয় মনিকে। এর পরে ঝাটিবুনিয়ার রুবেল একদিন সন্ধ্যায় খলিলের বাড়িতে গিয়ে রাতে থাকে। তখন মনি ঘরের দক্ষিন পাশের বারান্দার চকিতে শোয়া ছিল, রুবেল সেখানে গিয়ে মনিকে সঙ্গম করে। মনি এর বড়বোনের জামাই মনিকে গলাগাছিয়া নিয়ে যায়, সেখানে মনি এর সাথে মোবাইল ফোন নিয়ে মনি ও তার বড় বোন পাখি ঝগড়া হলে মনি মোবাইল ফোন পুকুরে ফেলে দেয়। পাখির জামাই হিরন ফকির সন্ধ্যায় পুকুরে নেমে মোবাইল উঠায়। মনিকে তার বড় বোনের জামাই কলাগাছিয়ার হিরুন ফকিরও একাধিকবার মনি এর সাথে দৈহিক সম্পর্ক করেছে। ঘটনা টের পেয়ে মনি বেগমের পিতা খলিল সেখান থেকে এক সপ্তাহ পওে মনিকে বাড়িতে নিয়ে আসে।পরে মনি আবারো ঝাটিবুনিয়া যায় সেখানেও তার ভাল না লাগায় সেখানে বোরকা ,জাপাকাপড় ব্যাগ ফেলে রেখে পালিয়ে যৌবনের জ্বালায় মনি ফের ঢাকায় আসে ২০১৩ সালের ১৯ শে মে। ঢাকায় এসে থেকেছে মগবাজার ও ফকিরাপুলের হোটেল ইন্টারকমসহ এলাকার কয়েকটি আবাসিক হোটেলে। বেশ্যা বৃত্তি পেশা সে সহজে ছাড়তে পারেনি। ঢাকায় এক এক করে মনি তিনটি ছেলেকে তার প্রতারণার ফাঁদে ফেলে বিয়ের নামে নাটক করে তাদের কাছ থেকে টাকা পয়সা স্বর্ণালংকার লুটে নিয়েছে। প্রথম বিয়ে হয় ঢাকার লালবাগের শহীদনগরের এলাকার ভাড়াটিয়া ফরিদ আহাম্মদের ছেলে ফারুকের সাথে। ফারুকের সাথে বিয়ে করার আগে মনি ৩ মাসের গর্ভপাত ঘটায় ঢাকার মগবাজারের আদ্বদীন হাসপাতালে। পরে ওই ছেলের সাথে সে বিয়ে ২ মাসের মাথায় ভেঙ্গে যায় । কারন সে বিয়ের পরেও আবাসিক হোটেলে দেহ ব্যবসা ছাড়েনি এ কারণে ওই ছেলে একাধিকবার মনিকে মারধর করে । পরে ২০১৪ সালে ১ ফেব্রয়ারী মনি বিয়ে করে বগুড়ার সদরের ওহাবের ছেলে আসাদুলকে । তার সাথে ২ মাস থাকার পরেও সে দেহ ব্যবসা ছাড়েনি। এর পরেও আবারও সে ২০১৪ সালের ২ জুন অবৈধ গর্ভপাত ঘটায় মগবাজারের আদ্বদীন হাসপাতালে। আসাদুল এর সঙ্গে থাকার সময় রাতে স্বামী গাড়ি চালাতে গেলে বাসায় পর পুরুষ এনে রাখতো মনি। ঘটনা হাতে নাতে ধরে মনিকে হাত-পা বেঁধে মারধর করে । পরে শাহাদাত নামে এক ছেলেকে বিয়ে করে মনি। গত ১৩-৭-২০১৫ জুলাই রমজান মাসে রাতে মনি ধরা খায় বাসায় লিটন নামে এক ছেলের সাথে অবৈধভাবে থাকার সময়। স্বামী শাহাদাত হাতেনাতে ধরে বেধড়ক মারধর করে মনিকে।পাশের বাসার মাহবুব এর ঘরের দরজা ভেঙ্গে মনি একটি রঙ্গিন টিভি, একটি খাট, একটি সিলিং ফ্যান একটি খানাঢুলি হাড়ি-পাতিল লেপতোষক ও নগদ ৫০ হাজার টাকাও ৩ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার চুরি করে। সে টাকা পিতা খলিলকে দেয় এবং সাজন ও প্রসাধনী কিনে মনি। গ্রামের বাড়িতে গিয়ে মনি সবাইকে জানায় যে সে গার্মেন্টস এ চাকুরী করেছে। মনি কোন গার্মেন্টেসে চাকুরী করেছে তা দেখাতে পারবেনা। অথবা কোন জায়গায় কোন বাসায় ছিল দেখাতে বললেও সে দেখাবেনা। বেশ্যাবৃত্তি ব্যবসা ও একাধিক বিয়া করে প্রতারণা করে বাড়িতে গিয়েও থেমে থাকেনি। মনি বেগমের তৃতীয় স্বামী শাহাদাত জানান, মনি এর বাপ খলিলের মামাতো ভাই রয়েছে ঝাটিবুনিয়ায় তার নাম সালাম। সালাম পেশায় মির্জাগঞ্জের মহিষকাটা নিউমার্কেটসহ বিভিন্ন বাজারে ওষুধ বিক্রি করে।সেই সালামের বাড়িতে ২০১৫ সালের ২৭ আগষ্ট মনি , মনির দাদী , ভাই শাহিন, বেড়াতে যায়। সেখানে ২৭ আগষ্ট দিবাগত রাতে মনির চাচা সম্পর্কে সালাম (মামা বলে সালামকে ডাকে মনি ) মনির দাদী ও সালামের বউকে সালাম রাতে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ঘুম পড়িয়ে ঘরের বিদ্যুতের মেইন সুইচ বন্ধ করে মনি এর সাথে সহবাস করে। সকালে মনি দাত ব্রাশ করার কথা বলে পুকুরে গিয়ে পানিতে পড়ে গিয়াছে অজুহাত দিয়ে গোসল করে। সালাম সকালে মনি এর দিকে ভালমতো থাকাতে পারেনা । ২৮ আগষ্ট শুক্রবার মহিষকাটা বাজার থেকে গর্ভপাত এড়ানোর জন্য নোরিক্স ট্যাবলেট কিনে খায় মনি। এর পর ২০১৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে সালাম আবার মনি এর বাড়িতে যায় দুপরে । বিকেলে মনি, শাহিন রাকিব আর সালাম উঠানে মোবাইলে ছবি তোলে খলিল দেখে রাগারাগি করে। বিকেলে খলিলের সাথে সালাম নিউমার্কেট যায় সেখান থেকে সালাম ফেমিপিল ট্যাবলেট কেনে মনি এর জন্য। রাত ৮ টায় খলিল ও সালাম বাড়িতে গেলে সালাম চুপিসারে মনি এর হাতে ফেমিপিল ট্যাবলেট একটা খুলে খেতে দেয় এবং ফেমিপিলের ট্যাবলেট এর পাতা গুজে রাখতে বলে। মনি ট্যাবলেট খায়। সালাম মনিদের ঘরের আইতনার দক্ষিণ পাশের চকিতে ঘুমায় খলিলের লুঙ্গি পড়ে। রাত সাড়ে ১১ টায় সালাম মনিকে একধিকবার মোবাইলে মিসকল দেয়। মনি তখন মোবাইলে ছবি দেখছিল। রাত ১২ টায় সালাম পানি খাওয়ার কথা বলে যেখানে খলিল ঘুমায় সেখানে উত্তর পাশের বারান্দায় যায়, তখন খলিল মৃর্ধা ও জেগে উঠে আবার সাথে সাথে সে শুয়ে পড়ে । সালাম পানি খেয়ে আইতনায় গিয়ে আবার ওই সময়ে ঘরে এসে মনিকে হাত ধরে তখন ও মনি মোবাইলে ছবি দেখছিল, মনি এর হাত ধরতেই মনি মোবাইল অফ করে বালিশের নিচে রেখে সালামের হাত ধরে আইতনায় দক্ষিণপাশের চকিতে যায়, সেখানে মনিকে সালাম নিয়ে প্রথমে বুকের জামা তুলে দুধ চুষে । এর পরে সে মনি এর পাজামা খুলে সহবাস করতে গিয়ে ধপাস করে চকির এক পাশে পড়ে যায় তখন মনি মুখ চুপে হাসে। সালাম অবারও উঠে মনিকে সহবাস করে । খুব সকালে খলিল কাজে যায়। মনি ভোর সাড়ে ৬ টায় সালামকে উঠাতে গিয়ে বলে মামা উঠেন, শরীর কি বেশী দুর্বল হইছে। কিন্তু সালাম উঠেনা। গোসল করে সকাল ৯ টায় সালাম বাড়িতে যায়। মনি সকালে হাত মুখ ধোয়ার কথা বলে পুকুরে যায়। সেখানে ঘাট থেকে পড়ে গেছে অজুহাত দেখিয়ে মনি গোসল করে। ২ অক্টোবার মনি মহিষকাটা বাজারে গিয়ে নোরিক্স ট্যাবলেট কিনে খায় অবৈধ গর্ভপাত এড়ানোর জন্য। এরপর ১৪ অক্টোবর ২০১৫ সালে রাতে আবার সালাম আসে মনি এর বাড়িত্ েসেদিনও রাতে মনি এবং সালাম সহবাস করে। এর পরেও কয়েক বার সালাম মনি এর সাথে সহবাস করেছে। আপনারা অবাক হবেন যে মনি একাধিক দামী পোষাক কোথায় পেয়েছে। মনি ক্লাস এইটেও পড়েনি। বাংলা পড়তে গিয়েও হোচট খায়। মনি ঢাকা থাকার সময় খলিল মৃর্ধাকে প্রায়ই টাকা পাঠাতো মনি বিকাশের মাধ্যমে। সে টাকা মনি এর মা মহিষকাটা গিয়ে উঠাতো। মহিষকাটা বিকাশের দোকানের নাম্বার হচ্ছে ০১৭২৩০০৯৫৫৬ । সেখানে মনি ও তার মাকে নিয়ে গিয়ে জানতে চাইলেই সব কিছু জানতে পারবেন । ঘন্টার পর ঘন্টা এখনো লুকিয়ে মোবাইলে কথা বলে কার সাথে। ঢাকায় থাকাকালে কত ছেলের সাথে রাত কাটিয়েছে তা বলে শেষ করা যাবেনা। শুধু একটি বার আপনারা জানতে চান মনি ঢাকায় কি কাজ করে ঘর ভাড়া দিয়েছে খাইছে এবং পোষাক কিনেছে আর খলিল মৃর্ধাকে টাকা পাঠিয়েছে আর কোথায় ছিল। সে যদি বলে গার্মেন্টেসে চাকরী করেছে তবে কোন জায়গায় কোন গার্মেন্টেসে চাকরী করেছে কত টাকা পেয়েছে এবং কোন বাসায় ছিল বিশদ দেখাতে বললেও মনি বলতে পারবেনা । ৫-৭ মাসের বেশী এক বাসায় থাকেনি স্বামীকে নিয়ে মনি। বার বার বাসা পাল্টিয়েছে। বিগত ৩ বছরে ৭ টি বাসা বদল করেছে।যে সব বাসায় অপকর্ম করে ধরা খাওয়ার পরে বিদায় হয়েছে। একাধিকার জুতা পিটা করেছে মনিকে। আবার কেউ কেউ জুতাপিটা না করার শর্তে মনিকে ভক্ষন করেছে। মনি সর্বশেষ যে বাসায় ভাড়াছিল সে বাড়িটি কাঁচপুরের লাভলী সিনেমা হলের পিছনে জাকির খানের বাড়ি, বাড়ির ম্যানেজারের নাম হাসান।২০১৫ সালের ১১ মার্চ হাসান দিনের ২ টায় মাহবুব নামে এক ছেলেকে ধরেছে মনির কক্ষে। পরে হাসানের হাত পা ধরে অনেক কান্নাকাটি করে হাসানকে ধর্মের বাপ ডেকে রেহাই পেয়েছে মনি। আয়শা আক্তার মনি বেগমের কাছে রয়েছে একাধিক সিমকার্ড।ঘরে রয়েছে তিনটি মোবাইল ফোন। এর মধ্যে খলিল মৃর্ধার কলাগাছিয়ার শালা একটি মোবাইল দিয়েছে। কিভাবে মনি মোবাইল কিনেছে, তার পরনের গোলাপী রংয়ের সাড়ে ৬ হাজার টাকার ইন্ডিয়ান থ্রীপিচ, সবুজ রংয়ের ৯ হাজার টাকা দামের শাড়ী, ৬ হাজার টাকা দামের কিরনমালা ও পাখি জামা ২ টিসহ ২২ সুট জামা কাপড় রয়েছে বর্তমানে। মনি প্রত্যেক স্বামীর সাথে কোরআন শরীফ ছুঁয়ে কসম কেটেছে কোনদিন অন্য ছেলের সাথে খারাপ কাজ করবেনা। মরা মায়ের ( হাসনু মনির প্রয়াত মা) কসম কেটেছে কোন দিন খারাপ কাজ অর্থাৎ বিন পুরুষের সাথে দৈহিক সহবাস করবেনা, তবুও মনি এ কথা রাখেনি। মনি বেগমের স্বামী শাহাদাত আদালতের শরনাপন্ন হয়েছেন। শাহাদাতের সাথে স্বামী- স্ত্রী ছিন্ন না কওে মনি আবারও কিভাবে তালগাছিয়ার কবিরকে চতুর্থ স্বামী হিসেবে বরণ করেছে এ বিষয়ে মনিকে উকিল নোটিশ পাঠানো হয়েছে, অচিরেই মনি, তার পিতা খলিলসহ তার আত্মীয় স্বজনের নামে মনি বেগমের স্বামী শাহাদাত কোর্টে মামলা দায়ের করবেন বলে শাহাদাত জানান। তিনি আরও জানান এই ভয়ংকার নারী মনি বেগমের পিছনে বিগত ৩ বছরে স্বর্নালংকার, নগদ টাকাসহ ৯ লক্ষাধিক টাকা খরচ করেছেন। ১৯ টি মোবাইল ফোন কিনে দিয়েছে, যার অধিকাংশ পানিতে পড়ে নষ্ট হয়েছে এবং ঝগড়া করে ভেঙ্গে ফেলেছে, স্বর্নের রুলি বানিয়েছে দিয়েছে স্বামী শাহাদাত, সেগুলো বিক্রি করে টাকা পয়সা ও স্বর্নালংকার মনি আত্মসাত করেছে। টাকা নিয়ে মনি তার বাবাকে গরু কিনে দিয়েছে এবং বাবার সংসারে খরচ করেছে, কারণ মনি বেগমের বাবা মানুষের বাড়িতে কাজ করে কখনো গাছের কাজ করে আবার মাটি কাটার কাজ করে দৈনিক হাজিরা ভিতিতে। ভংকার মেয়ে এই মনি। কালনাগিনী মনি যাকে ধরবে তার টাকা পয়সা শেষ করে ছাড়ে। মনি হোটেলে ও বাসায় পর পুরুষের সাথে সঙ্গম করতে করতে করতে জরায়ুতে পচন রোগ হয়েছিল। পপুলার ও মেডিনোভা ও ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছে। চিকিৎসা করাতে ২৫ হাজারেরও বেশী টাকা খরচ হয়েছে। এই টাকা কোথায় থেকে পেল। কে দিয়েছে তার উত্তর মনি দিতে পারবেনা। অসৎ উপায়ে অর্জিত টাকা দিয়ে মনি ঘরে একাধিক মশারী, দামী বেডশিট, সবার নতুন কাপড়, জুতা কেনার টাকা কোথায় পেল।এতদিন কেউ জানতে পারেনি। এই মনি দেখতে চিকন স্বাস্থ্য সন্দর সহজেই যে কোন ছেলেকে যাদুর মতো বশ করে নেয় চোখের ইশারায়। কালনাগীনীর চেয়ে ভয়াবহ ও ভংকর এই মনি । মুহুর্তেই সে পল্টি দিতে পারে খাওয়া শেষ হলেই। আবার নতুন করে খোঁজে। এই নারী রুপি কাল সাপটিকে চতুর্থবারের মতো বিয়ে করে কবির নামে গ্রামের সহজসরল ছেলেটি ঠকেছে। এখনো কবিরের সাথে ছলনা করছে , মিথ্যা কথা বলছে। এই মনি বিগত ৩ বছরে ২১ বার ঢাকা একা এসেছে এবং বাড়িতে একাই গেছে সে সব চিনে জানে। মনি কয়টা বিয়ে হয়েছে সব কিছু জানতে পারবেন খোঁজ নিলে। সে কার সাথে রয়েছে যদি আরো জানতে চান ঢাকায় এসে ফোন দিলে মেমোরীকাডে সকল রেকর্ড এবং সরেজমিনে সকল রেকর্ড দেব মনি বেগমের ল্যাংটা ছবিসহ। মনি এক ফোনের দোকানে মালিক নাম মাহবুব এবং ওই বাড়ির ম্যানেজার সোহাগ এর সাথে মাসের পর মাস রাত কাটিয়েছে। এর মধ্যে মাহবুব এর সাথে আগে। পরে মাহবুবকে বাদ দিয়ে ম্যানেজার সোহাগের সাথে রাত কাটিয়েছে। ম্যানেজার সোহাগ মনিকে একাধিক পোষাক ও কয়েক হাজার টাকা দিয়েছে । শেষে যে বাড়িতে মনি ছিল সে বাড়ির ম্যানেজার নাম হাসান। হাসানের মোবাইল নাম্বার হচ্ছে ০১৭৯৪১১৪৭৭২ । হাসানকে ফোন করলেই জানতে পারবেন মনি কার সাথে কিভাবে ছিল। কারণ মনি একটা কালনাগিনী পুরুষ খেকো। এই কালনাগিনী মনি তৃতীয় স্বামীর সংসার করার সময়ে পাবনার সুজন নামে এক ছেলের সাথে অবৈধ সম্পর্ক করেছে। তার অডিও রেকর্ড রয়েছে। এই রেকর্ডটিতেই মনিকে সুজন বলেছে এনম করে বলো কেন কষ্ট লাগেনা, তখন মনি সুজনকে বলে যার লগে ২/৩ বছর রইলাম হের কষ্ট লাগেনা, নিজের লগে একদিন থাকলাম এতেই কষ্ট লাগে? তাহলে মনি ২/ ৩ বছর কার সাথে ছিল। গত বছর ৯ জানুয়ারী মনিকে নিয়ে তার স্বামী শাহাদাত ঢাকার বানিজ্য মেলায় যায়। সেখানে গিয়ে রিকশায় ঘুরে দুজন রাত ১১ টায় বাসায ফিরে স্বামী-স্ত্রী দুজনে এতে মনিবেগমের ঠান্ডা লেগে যায়। অডিও রেকর্ডে সে কথাও বলেছে মনি। এবং ওই রাতে মনি এর কাছে সুজন কাম করতে আসতে চেয়েছিল, তখন মনি বলে এত রাতে, মনি তখন বলেছিল ম্যানেজার গেট বন্ধ করেছে। সুজন বেেলছে কেন তুমি চাবি রাখতে পারনা, মনি তখন সুজনকে বলে ম্যানেজার কাউকে চাবি দেয়না। এই নষ্টা নারীর সব অপকর্ম ফেইসবুকে দেওয়া আছে ধুংযধ ধশঃবৎ সড়হর লিখে সার্চ দিলেই মনি এর সকল অডিও রেকর্ড ও তার ল্যাংটা ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য দেখা যাবে।খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, কবিরকে এসকল রেকর্ড মেমোরিকার্ডে সরবারাহ করার পর এবং লিখিতভাবে ঘটনার বিস্তারিত জানানোর পর কবির অনেক প্রমান পেয়েছে। আরো বলে রাখি পূর্ববাজিতা গ্রামের এবং শিশুর হাটের সবাই জানে এ ঘটনা। সেখানেও গিয়ে খোঁজ নিলেও সব কিছু জানা যাবে।মনিকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে মনি তার চতুর্থ স্বামী কবিরের হাতে পায়ে ধরে। এ নিয়ে বর্তমানে মনি ও কবিরের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ লেগেই আছে। কবিরকে বলা হয়েছে মনিকে নিয়ে কাঁচপুরে যাওয়ার জন্য। কারন মনিকে কাঁচপুরের অনেকেই চিনে।তাই মনি কাঁচপুরে যদি নাইবা থাকতো তাহলে তার কাঁচপুরে আসতে এত ভয় কেন? কারন কাঁচপুরে এলে মনি ধরা খাবে। মনি এর তৃতীয় স্বামী শাহাদাত কবিরকে ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, ঢাকার জজকোর্টের মধ্যে একটি কাজী অফিস রয়েছে সেখানে আসতে। সাথে মনি ও তার পিতা মাতাসহ সকল আত্মীয় স্বজনকে সাথে নিয়ে আসলে সেখান থেকে শাহাদাতের সাথে মনি যে ১ লাখ টাকা কাবিন করে বিয়ে করেছে সে কাবিনানামাটা সকলের হাতে কাজী অফিস থেকে তুলে দেবেন। তবে তৃতীয় স্বামীর একটাই দাবি থাকবে সেদিন এই কালনাগিনী মনি ও তার পিতা মাতাকে সকলের সামনে জুতা পিটা করে আইনের কাছে সোপর্দ করতে হবে।কারন একজন নষ্টা নারী কত ছেলের জীবন এভাবে নষ্টা করবে।এভাবে একের পর এক বিয়ে এবং অবৈধ সম্পর্ক করে এবারের মতোও যদি নারী রুপি নরকের কীট কালনাগিনী মনি পার পেয়ে যায় তাহলে ওই বেশ্যা নারী নিজের স্বার্থের জন্য যে কাউকে অনায়াশে খুন করতেও দ্বিধাবোধ করবেনা। তাই এখনই এই পতিতাকে রুখতে হবে, সমাজের সকলকে এই নারী রুপি কালসাটিকে চিনতে হবে, এটা থেকে দুরে থাকতে হবে।কারন ওই কালনাগিনীর মনি বেগমের বিষ ভয়ংকর।






Related News

Comments are Closed