Main Menu

সিদ্ধিরগঞ্জে মাদক ব্যবসা বাধা দেয়ায় গুলির ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের

1 (Medium)সিদ্ধিরগঞ্জে মাদক ব্যবসা বাধা দেয়ায় গুলির ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের। গোদনাইল নিউ লক্ষ্মীনারায়ণ কটন মিল স্কুল সংলগ্ন এলাকায় মাদক আটককে কেন্দ্র করে রুবেল মাদবর ও শামীম মাদবর নামের দুই যুবককে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ ও হামলার ঘটনা মামলা দায়ের। বৃহস্পতিবার রাতে আহত রুবেল মাদবরের পিতা মোঃ মনির হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-প্রচার সম্পাদক ইফতেখার আলম খোকনের বডিগার্ড গলাকাটা জসিমকে প্রধান আসামী করা হয়। এজহার নমীয় ৪ জন ছাড়াও অজ্ঞাত ৫/৬ জনকে আসামী করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসী ও হামলায় আহতরা জানান, নিউ লক্ষ্মীনারায়ণ কটন মিল স্কুল সংলগ্ন এলাকায় সজীব নামের এক মাদক ব্যবসায়ী একটি বস্তায় করে ফেনসিডিল নিয়ে যাচ্ছিল। এসময় ওই এলাকার রুবেল মাদবর ও শামীম মাদবর তাকে আটকিয়ে পুলিশকে খবর দেয়। সহযোগিকে আটকানোর খবর পেয়ে মাদক ব্যবসায়ী জসিম ওরফে গলাকাটা জসিম তার সহযোগী জামান, কুট্টি, রশিদুল, রাজু, মুন্না, ইন্দ্রজিৎসহ অন্য মাদক ব্যবসায়ীরা ঘটনাস্থলে পৌছে রুবেল ও শামীমকে লক্ষ্য করে দুই রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। তাদের নিক্ষিপ্ত গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হলেও গুলি শরীরে বিদ্ধ হওয়ার ভয়ে রুবেল ও শামীম দৌড় দেয়নি। এসময় মাদক ব্যবসায়ীরা রুবেল মাদবরের মালিকানাধীন রুবেল ভেরাইটিজ নামে একটি মুদি দোকানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করে এবং রুবেল ও শামীমকে মারধর করে। এ খবর পেয়ে রুবেলের মা হাসিনা বেগম (৪৫) ছেলেকে বাঁচাতে ছুটে আসলে তার নাকমুখে পিস্তলের বাট দিয়ে আঘাত করে। জসিম ওরফে গলাকাটা জসিম এক সময় ১০নং ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সাধারান সম্পাদক এবং ক্রসফায়ারে নিহত সন্ত্রাসী রকমতের সহযোগী ছিল। বর্তমানে জসিম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-প্রচার সম্পাদক ইফতেখার আলম খোকনের বডিগার্ড। এলাকায় সে গলাকাটা ফেন্সি জসিম হিসেবে সু-পরিচিত। আহত হাসিনা বেগম নাসিক ১০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি লক্ষীনারায়ণ মাঝিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মনির হোসেনের স্ত্রী ও অপর আহত রুবেল তাদের ছেলে। জসিম একই এলাকার মৃত রওশন আলীর ছেলে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, গলাকাটা ফেন্সি জসিম ইফতেখার আলম খোকনের ছায়ায় থেকে তার নাম ভেঙ্গে লক্ষীনারায়ণ ও আরামবাগ এলাকায় বিভিন্ন লোদের মাধ্যমে মাদক বিক্রয় করে থাকে। তার ভয়ে এলাকায় কেউ মূখ খুলতে সাহস পায়না। ছোট-খাটমাদক বিক্রেতা মাদকসহ পুলিশের হাতে ধরা খেলে জসিম থেকে যায় ধরাছোয়ার বাইরে। এদিকে ১০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মনির হোসেন বলেন, নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের এমপি শামীম ওসমানের নির্দেশে এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে তারা কাজ করছেন। এর ধারাবাহিকতায় মাদক বিক্রয়ে বাধা দিলে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঘটনাস্থলে যাওয়া সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই শামীম বলেন, গুলির বিষয়ে এলাকাবাসী বললেও কোন গুলির খোসা পাওয়া যায়নি, তবে একটি রামদা উদ্ধার করা হয়েছে। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ সরাফত উল্লাহ জানায়, গুলি বর্ষণের কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি। দুই গ্রুপের মারামারি ঘটনায় থানায় মামলা নেওয়া হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।






Related News

Comments are Closed