Main Menu

হোম প্রথম পাতা শেষ পাতা রাজধানী সারাদেশ বিনোদন প্রতিদিন খেলার খবর শিল্প বাণিজ্য সম্পাদকীয় উপ-সম্পাদকীয় দৃষ্টিকোন আয়োজন চিঠিপত্র অন্যান্য দ্বিতীয় সংস্করণ আজকের ফিচার দৈনিক ইত্তেফাক ঈদ সংখ্যা বিজ্ঞাপন দর আজকের পত্রিকা»প্রথম পাতা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স :প্রধানমন্ত্রী

রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে তার সরকারের দৃঢ় অবস্থান ও জিরো টলারেন্স নীতির বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, কোনো দেশের বিরুদ্ধে বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকাণ্ড চালানোর জন্য বাংলাদেশের মাটি কাউকে ব্যবহার করার সুযোগ দেয়া হবে না। আমরা বাংলাদেশে কোনো ধরনের বিদ্রোহ বরদাশত করবো না। আমরা এ অঞ্চলে একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ চাই।
গতকাল রবিবার সকালে গণভবনে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের বিদ্যুত্, পল্লী ও নগর উন্নয়ন ও পরিবহন মন্ত্রী মানিক দে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত্ করতে গেলে তি1452441879নি এ কথা বলেন। সাক্ষাতের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, ত্রিপুরা থেকে বাংলাদেশে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ আমদানীর লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ভারতের কর্মকর্তারা শুল্ক ও অন্যান্য বিষয় চূড়ান্ত করেছেন বলে জানতে পেরে প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, উভয়পক্ষ বিদ্যুত্ সরবরাহ শুরু করার জন্য যথাশিঘ্র সম্ভব বিদ্যুত্ ক্রয় ও সরবরাহ সংক্রান্ত অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবে। এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা পূরণের জন্য আরো বিদ্যুত্ লাগবে। দুটি দেশের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তির পর ছিটমহলগুলো বিনিময়ের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে এই ইস্যুটির মীমাংসা হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের সবচে আকর্ষণীয় স্থান এবং তার সরকার দেশে আরো শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ১শ’টি অর্থনৈতিক জোন প্রতিষ্ঠা করার পদক্ষেপ নিয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের পর বন্ধ হয়ে যাওয়া বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার রেলপথগুলো বাংলাদেশ পুনরায় খুলে দিতে চায়। চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরের সম্ভাবনার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা-বাণিজ্য জোরদার করার লক্ষ্যে ভারত এই বন্দর ব্যবহার করতে পারে।
ত্রিপুরার মন্ত্রী এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ব্যাপক সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ নজিরবিহীন উন্নয়ন সাধন করেছে। ত্রিপুরার মন্ত্রী ২০১২ সালে জানুয়ারি মাসে ত্রিপুরায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফর এবং আগরতলায় প্রায় এক লাখ লোকের সমাবেশে তার ভাষণ দেয়ার কথা স্মরণ করেন। এ প্রসঙ্গে মানিক দে সমাবেশ অনুষ্ঠানে ত্রিপুরা থেকে ১শ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ আমদানির বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার কথাও উল্লেখ করেন।
বিশ্ব ইজতেমায় আখেরি মোনাজাতে
প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল টঙ্গীতে তুরাগ নদের তীরে অনুষ্ঠিত পবিত্র হজের পর বিশ্বে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমাবেশ বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের শেষ দিনে আখেরি মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে এই মোনাজাতে অংশ নেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি এবং প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যরা এই মোনাজাতে শরিক হন।





Related News

Comments are Closed