Main Menu

ঘাসিরচর বিদ্যালয়ে জীর্ণ ভবনে ঝুঁকি নিয়ে চলছে পাঠদান

Matlab News Picture 05-01-2016 (2)নিজস্ব প্রতিবেদক :
মতলব উত্তর উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের ঘাসিরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দু’টি ভবনের একটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পর্যাপ্ত শ্রেণীকক্ষ না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান।
বিদ্যালয় ঘুরে দেখা গেছে, এখানে ভবন আছে দু’টি। ভবনের মধ্যে অধিকতর পুরোনো একাডেমিক ভবনটি জরাজীর্ণ ও ঝুঁঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কর্মরত শিক্ষকেরা জানান, ১৯৭৪ সালে স্থাপিত এই বিদ্যালয়ের তিন কক্ষবিশিষ্ট একাডেমিক ভবনটি নির্মাণ করা হয় এরশাদ সরকারের আমলে। বাকি একটি ২০০৭-০৮ অর্থবছরে নির্মিত হয়।
সরেজমিনে ঘাসিরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, তিন কক্ষবিশিষ্ট একাডেমিক ভবনের তিনটি কক্ষের একটি কক্ষে পঞ্চম শ্রেণীর পাঠদান চলছে। অপর দুইটি কক্ষ পরিত্যক্ষ। দরজায তালা লাগানো। একটি ছোট কক্ষে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অফিস হিসেবে ব্যবহূত হচ্ছে।
প্রায় সবগুলো কক্ষের দেয়ালে ফাটল ধরেছে। পিলার ও ছাদ থেকে খসে পড়ছে পলেস্তারা। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামসুজ্জামান জানান, সম্প্রতি পাঠদান চলাকালে ভবনটির ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়ে শিক্ষার্থীদের গায়ে। কেউ হতাহত না হলেও এ ঘটনায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে।
বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মফিজুল ইসলাম, শ্রী যোগেশ চন্দ্র ঘোষ ও সিরাজুল ইসলাম জানান, এ বছর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ২১জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে শতভাগ পাশ করলেও ভবনের কোন উন্নয়ন হচ্ছে না।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ১৫৯ শিক্ষার্থী ও চারজন শিক্ষক ঝুুঁঁকি নিয়ে বিদ্যালয়ে যাচ্ছেন। বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী জিনিয়া বলে, শ্রেণীকক্ষে আমরা আতঙ্কে থাকি। তাই পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারি না।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামসুজ্জামান বলেন, শ্রেণীকক্ষের সংকট থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে শ্রেণী-কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। নতুন ভবন নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে ইতিমধ্যে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবরে একটি লিখিত আবেদন করেছি।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ কবির হোসেন জানান, ঘাসিরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ উপজেলার কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। ভবনগুলো নতুনভাবে নির্মাণের জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।






Related News

Comments are Closed