Main Menu

র‌্যাব পরিচয়ে প্যানেল মেয়রকে অপহরণ

bবরিশাল: বরিশাল সিটি করপোরেশনের ১ নম্বর প্যানেল মেয়র স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কাউন্সিলর কেএম শহীদুল্লাহকে র্যাব পরিচয়ে তুলে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার বেলা দেড়টার দিকে তাকে নগরীর শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে থেকে একটি সাদা মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় সাদা পোশাকধারী অজ্ঞাত ব্যক্তিরা।

 একেএম শহীদুল্যাহ কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি, বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এবং বরিশাল মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি।

শহীদুল্লাহ’র শ্যালক আনোয়ার হোসেন জানান, সিটি করপোরেশনের কাজ শেষে মোটরসাইকেলযোগে মেডিকেলের পেছনের গেট সংলগ্ন বাসায় ফিরছিলেন শহীদুল্লাহ। পথে জরুরি বিভাগের সামনে তার মোটরসাইকেল থামায় সাদা পোশাকধারী ৮ থেকে ১০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি। এ সময় তারা র্যাবের পরিচয়পত্র দেখিয়ে প্যানেল মেয়রকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। কিছু পথ যাওয়ার পর পোশাকধারী র্যাব সদস্যের একটি টহল গাড়ি মাইক্রোবাসটিকে অনুসরণ করতে থাকে বলে বর্ণনা দেন আনোয়ার।

আনোয়ার জানান, মাইক্রোবাস থেকে কেএম শহীদুল্লাহ তার মেয়ে সামন্তকে ফোন দিয়ে জানায় র্যাবের লোক তাকে নিয়ে কার্যালয়ে যাচ্ছে। এরপর থেকে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তাই পরিবারের লোকজন আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে র্যাব-৮ এর কার্যালয়ে খোঁজ নিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখান থেকে জানানো হয়েছে, শহীদুল্লাহ নামে কাউকে আটক করা হয়নি।

এদিকে বিষয়টি নিশ্চিত হতে বরিশাল র্যাবের উপপরিচালক আদনানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সুন্দরবনে একটি অভিযানে ব্যস্ত রয়েছেন।

বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে বরিশাল র্যারের পরিচালক লে. কর্নেল ফরিদুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, একটি অভিযানে খুব ব্যস্ত থাকায় কথা বলতে পারছেন না।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র সহকারি কমিশনার (এসি) আবু সাঈদ জানান, কেএম শহীদুল্লাহকে পুলিশের কোনো টিম আটক করেনি। এছাড়া তাকে র্যাব পরিচয় দিয়ে তুলে নেয়ার বিষয়েও কেউ অভিযোগ করেনি। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।






Related News

Comments are Closed