Main Menu

সিদ্ধিরগঞ্জের শিশু জাহিদ হত্যার ঘটনায় ৪ খুনি গ্রেফতার

2 (Medium)সিদ্ধিরগঞ্জ : সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধিন গোদনাইল চৌধুরীবাড়ী চিত্তরঞ্জন কটন মিলস সংলগ্ন শীতলক্ষ্যা নদীর পাড় এলাকায় ৮ বছরের শিশু জাহিদ হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে থানা পুলিশ। প্রেমের তথ্য ফাঁস করে দেয়ায় এ খুনের ঘটনা ঘটছে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে। পুলিশ ৪ খুনীকে গ্রেফতার করেছে। গত মঙ্গলবার দিবাগত ভোর রাতে এ হত্যা মামলার তদন্তকারী সেকেন্ড অফিসার এসআই এস.এম জসিম উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফতুল্লা মডেল থানার তল্লা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঐ ৪’খুনীকে গ্রেফতার করে। ধৃতরা হলো, পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার মোহাম্মদপুর এলাকার মৃত বাবুল মোল্লার ছেলে ইমতিয়াজ বাবু (২২), চাঁদপুর জেলা সদরের ফেরু দিয়া গ্রামের হযরত আলীর ছেলে ফয়সাল ওরফে অভি (২১), শরিয়তপুর জেলার জাজিরা থানার ওয়াপদা লঞ্চঘাট এলাকার শাহজাহানের ছেলে রাকিব ইসলাম হৃদয় (১৮) ও গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর থানার গোপিবাগ এলাকার নাদিরার ছেলে সাকিব (১৮)।
এব্যাপারে মামলার তদন্তকারী সেকেন্ড অফিসার এসআই এস.এম জসিম উদ্দিন জানায়, গ্রেফতারকৃত ৪ খুনীকে প্রাথমিক ভাবে জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারি যে এ ৪’জন তল্লা এলাকায় বসবাস করলেও তারা গোদনাইল এনায়েত নগর এলাকায় এসে আড্ডা মারতো। এদর মধ্যে ফয়সাল অভি নিহত শিশু জাহিদের প্রতিবেশী সেফা নামে এক কিশোরীর সাথে প্রেম করতো। তারা প্রতিদিন নিহত জাহিদের বাবা মজিবুর রহমানের চায়ের দোকানে আড্ডা মারতো। সে সুবাধে জাহিদের সাথে পরিচয় এবং তার প্রতিবেশী সেফার কাছে তাকে দিয়ে তারা চিঠি আদান প্রদান করতো। এ ঘটনাটি জাহিদ সেফার বাবাকে জানিয়ে দিলে সে সেফাকে মারধর করে গ্রামের বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয়। এ বিষয়টি সেফা তার প্রেমিক ফয়সাল অভিকে জানালে জাহিদের উপর ক্ষিপ্ত হয় এবং আক্রোশের বসবর্তী হয়ে তাকে নির্মম ভাবে খুন করে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় নিহত শিশু জাহিদের লাশ পরে থাকতে দেখে এলাকাবাসী থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে। গত সোমবার দিবাগত রাতে দূর্বৃত্তরা তাকে ছুড়িকাঘাতে হত্যা করে।
নিহত জাহিদের বাবা জানায়, গত সোমবার সন্ধ্যায় জাহিদ দোকান থেকে কেরোসিন আনার জন্য বাসা থেকে বেরিয়ে রাতে আর বাসায় ফিরে আসেনি। সারারাত নিকটস্থ সকল পরিচিত স্থানে খুঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধ্যান না পেয়ে মঙ্গলবার সকালে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেছি। এর কিছুক্ষন পরই খবর পাই চিত্তরঞ্জন কটন মিলের পাশে শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে একটি শিশুর লাশ পরে আছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি আমার ছেলে জাহিদের মৃত দেহটি পরে আছে।






Related News

Comments are Closed