Main Menu

অসন্তুষ্ট কমিশন চিঠি দিল ১৭ রিটার্নিং কর্মকর্তাকে

4পৌরসভা নির্বাচনে ১৭ জন রিটার্নিং কর্মকর্তার কাজে অসন্তুষ্ট নির্বাচন কমিশন। কমিশন মনে করছে, এলাকায় ব্যাপক আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলেও এসব কর্মকর্তা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। যে কারণে আজ মঙ্গলবার কমিশন আচরণবিধি লঙ্ঘনকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা জানতে চেয়ে ১৭ কর্মকর্তাকে চিঠি দিয়েছে।

জানতে চাইলে কমিশন সচিবালয়ের সচিব সিরাজুল ইসলাম বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে কমিশন ১৭ জন রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছে, তাঁদের এলাকায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না বা ঘটে থাকলে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কমিশন সচিবালয়ের উপসচিব রকিবউদ্দীন মণ্ডলের সই করা এই চিঠি আজ মঙ্গলবার রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বরাবর পাঠানো হয়েছে।
এই ১৭ রিটার্নিং কর্মকর্তারা হলেন: হবিগঞ্জের জেলার নবীগঞ্জ পৌরসভা (জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা), সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর (জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা), শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা), ঢাকার সাভার (জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা), চাঁদপুরের কচুয়া (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা), ঢাকার ধামরাই (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা), নারায়ণগঞ্জের তারাব (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা), খুলনার পাইকগাছা (জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা), মাগুরা সদর (অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, সার্বিক), বরগুনার বেতাগী (জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা), নড়াইল সদর (অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, সার্বিক), নড়াইলের কালিয়া (জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা), মুন্সিগঞ্জের মীরকাদিম (জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা), চাঁদপুরের ছেঙ্গারচর (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা), ঝিনাইদহের মহেশপুর (জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা), নাটোরের গুরুদাসপুর (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা) ও নাটোরের বড়াইগ্রাম (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা)।
নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী মন্ত্রী-সাংসদেরা নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে পারেন না। কমিশন সচিবালয় থেকে জানা যায়, গণমাধ্যম থেকে কমিশন জানতে পেরেছে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ৫ ডিসেম্বর সাংসদ আবু জাহির আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে ভোট চেয়েছেন। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা করে ভোট চেয়েছেন সাংসদ হাসিবুর রহমান। শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে প্রচারে অংশ নেন সাংসদ নাহিম রাজ্জাক। ৪ ডিসেম্বর চাঁদপুরের কচুয়ায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর এবং ঢাকার ধামরাইয়ের এম এ মালেক নিজস্ব প্রার্থীর পক্ষে প্রচার চালান। ৮ ডিসেম্বর নাটোরের গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রাম পৌর নির্বাচনে প্রচারে নামেন সাংসদ আবদুল কুদ্দুস। ৭ ডিসেম্বর নড়াইল সদর ও কালিয়ায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারে নামে সাংসদ কবিরুল হক।






Related News

Comments are Closed