Main Menu

আজ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ১১তম বার্ষিকী

news-1ষ্টাফ রিপোর্টার- ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ১১তম বার্ষিকী আজ। ২০০৪ সালের এই দিনে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে নারকীয় এ হামলার ঘটনা ঘটে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও তত্কালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় কয়েক নেতা সেদিন অল্পের জন্য বেঁচে গেলেও প্রাণ হারান দলের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভী রহমানসহ ২৪ জন। আহত হন আরো ৪০০ জন, যাদের অনেকেই চিরতরে পঙ্গু হয়ে গেছেন।

ওই গ্রেনেড হামলায় নিহতরা হলেন— আইভী রহমান, ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী ল্যান্স করপোরাল (অব.) মাহবুবুর রশীদ, আবুল কালাম আজাদ, রেজিনা বেগম, নাসির উদ্দিন সরদার, আতিক সরকার, আবদুল কুদ্দুস পাটোয়ারী, আমিনুল ইসলাম মোয়াজ্জেম, বেলাল হোসেন, মামুন মৃধা, রতন শিকদার, লিটন মুনশী, হাসিনা মমতাজ রিনা, সুফিয়া বেগম, রফিকুল ইসলাম (আদা চাচা), মোশতাক আহমেদ সেন্টু, মোহাম্মদ হানিফ, আবুল কাশেম, জাহেদ আলী, মোমেন আলী, এম শামসুদ্দিন ও ইসাহাক মিয়া। এছাড়া নিহত আরো দুজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

গুরুতর আহতরা হলেন— শেখ হাসিনা, আমির হোসেন আমু, প্রয়াত আব্দুর রাজ্জাক, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, ওবায়দুল কাদের, অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, প্রয়াত মোহাম্মদ হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, নজরুল ইসলাম বাবু, আওলাদ হোসেন, সাঈদ খোকন, মাহবুবা পারভীন, অ্যাডভোকেট উম্মে রাজিয়া কাজল, নাসিমা ফেরদৌস, শাহিদা তারেক দিপ্তী, রাশেদা আখতার রুমা, হামিদা খানম মনি, ইঞ্জিনিয়ার সেলিম, রুমা ইসলাম, কাজী মোয়াজ্জেম হোসেইন, মামুন মল্লিক প্রমুখ।

১১তম বার্ষিকীতে জাতি আজ শ্রদ্ধাবনতচিত্তে ইতিহাসের ভয়াবহতম গ্রেনেড হামলার দিনটি স্মরণ করবে। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের জন্য আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আজ বিকাল সাড়ে ৪টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত অস্থায়ী শহীদ বেদিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশগ্রহণ করবেন।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সদস্য, উপদেষ্টা পরিষদ, সংসদ সদস্য, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারা এবং আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এ সময় উপস্থিত থাকবেন। পরে একই স্থানে শেখ হাসিনা ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহতদের সঙ্গে সাক্ষাত্ এবং আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করবেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সব নেতা, কর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীকে ২১ আগস্ট ‘গ্রেনেড হামলা দিবস’ হিসেবে যথযথ মর্যাদায় পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

একই সঙ্গে তিনি আওয়ামী লীগের সব জেলা, মহানগর, উপজেলা, পৌর, ইউনিয়ন, ওয়ার্ডসহ সব শাখার নেতাদের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণ করে দিবসটি স্মরণ ও পালন করার আহ্বান জানান। এদিকে ১১ বছরেও সম্পন্ন হয়নি ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের কার্যক্রম চলছে বর্তমানে। এরই মধ্যে ১৭৬ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের এক কৌঁসুলি। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ মামলার চার্জশিটভুক্ত ৫২ আসামির মধ্যে ১৯ জন এখনো পলাতক। অভিযুক্তদের মধ্যে ২৬ জন কারাগারে আটক এবং সাবেক তিনজন আইজিপিসহ আটজন জামিনে রয়েছেন।






Related News

Comments are Closed