দেশ থেকে বিলিন হয়ে যাচ্ছে খাটি আখের গুড়

 শাফিউল কায়েস ও নুরুজ্জামানঃ গুড় সকলের প্রিয়,গুড় খেতে সকলে ভালোবাসে। কিন্তু এই গুড় এর ভেজাল কথাটা শুনলে কার না মন ভালো থাকে! আমরা আমদের দেশকে সকলে ভালোবাসি তাহলে কেন আমাদের দেশের লোকদের ভালোবাসতে পারি না?

চিনির থেকে গুড় তৈরি করা আমাদের কাছে খুবই সহজ।
আমাদের দেশে চিনির দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণ এই অপরিকল্পিত ভাবে গুড় তৈরি।বাজারে দু রকম গুড় পাওয়া যায় তার মধ্যে আখের গুড় মানুষ বেশি  কেনে।
চিতাগুড়,মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে এই আখের রসের গুড়,সাথে মিশানো হচ্ছে চিনি।
এভাবেই আখের গুড় তৈরির কাজে ব্যস্ত আখের গুড় তৈরির কর্মীরা,তাদের তো কোন দোষ নেই, দোষ এই গুড় তৈরির মালিকদের।
দেশকে ভালো রাখতে গেলে প্রয়োজন ভালোভাবে কোন কিছু তৈরি করা।
আমার বিশ্বস দিনাজপুর  সহ বাংলাদেশে প্রতিটি এলাকায় এমন কাজ করা হয়।
আখ এর সেন্ডারে গিয়ে দেখা যায় কোন আখ নেই।
সেন্ডার গুলো এখন ফাকা নবাবগঞ্জ থানার ,বিনাদনগরের আখ সেন্ডার,আলমনগরের  আখ সেন্ডার দুটোতেই একই অবস্থা।
আখ চাষি রা জানায় সেন্ডারে ভালো দাম দেওয়া হয় না,আর এর সুযোগ নিয়ে তারা আখ তৈরির ব্যবসায়ীরা দাম বৃদ্ধি করে আখ ক্রয় করছে।
তারা বেশি মুনাফা অর্জনের জন্য এই ভেজাল গুড় তৈরি করে মানুষের সামনে আনছে।
পুলিশ তদান্ত করতে গেলে তারা সকল প্রকার ভেজাল জিনিষ লুকিয়ে ফেলে,তার কোন প্রমান তারা রাখে না।
হতাশ হয়ে পুলিশদের ঘুরে আসতে হয়।
আমাদের দেশকে রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের,তাই আসুন নিজে ভালো হই নিজের দেশকে বাচায়।
বাচুক দেশের মানুষ, বাচুক দেশের চাষি।





Related News

Comments are Closed